টপ এন্ড টি-টোয়েন্টির রুদ্ধশ্বাস সেমিফাইনালেই থামল টাইগারদের যাত্রা

টপ অ্যান্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজ
ফাইল ফটো
ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ফাইনাল খেলা হলো না বাংলাদেশ এইচপির। টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে ভিক্টোরিয়া ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন একাডেমির বিপক্ষে এক উইকেটে ম্যাচ হেরেছে ইরফান শুক্কুরের দল। লো স্কোরিং ম্যাচে ব্যাটিংয়ে তেমন সুবিধা করতে পারেনি এইচপি দল।

উড়ন্ত শুরুর পরও দ্রুত খেই হারায় তারা। ৪ ওভারে ৪৬ রান তোলার পর ২১ রানের মধ্যে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ১৭.১ ওভারে ১০১ রানেই গুটিয়ে যায় দলটি। ২৬ রানে ভাঙে দলটির ওপেনিং জুটি। পাঁচ বলে তিন রান করে উইকেটরক্ষককে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান হাবিবুর রহমান সোহান।

এরপর ৪৯ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ১০ বলে ১৯ রানে ফিরে যান আরিফুল ইসলাম। দলীয় ৫৬ রানে ফিরে যান জিশান আলম। ২০ বলে ৩০ রান করে উইকেটরক্ষককে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন এই ওপেনার। দলের হয়ে এটিই ছিল সর্বোচ্চ রানের সংগ্রহ।

তারপর ইরফান (০), শামীম হোসেন (৮) এবং সাব্বির রহমানরা (৫) একে একে বিদায় নিলে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দলটি। শেষদিকে আব্দুল গাফফার সাকলাইন ১০ এবং আবু হায়দার রনি ১২ রানে ফিরে যান। ভিক্টোরিয়ার হয়ে ২৭ রান খরচায় চার উইকেট নেন উইল সাদারল্যান্ড।

১০১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নামা দলটিকে অবশ্য শুরু থেকেই অস্বস্তিতে রাখেন টাইগার বোলাররা। ছোট পুঁজিকে অবশ্য লড়াইয়ের মতো করে তুলেছিলেন বোলার ও ফিল্ডাররা। প্রথম ওভারেই হ্যারি ডিক্সনকে বোল্ড করেন মোহাম্মদ রুবেল। পাওয়ার প্লে শেষ হলে ১৮ বলে ১৮ রান করা টম রজার্সকে কট এন্ড বোল্ড করেন শামীম।

২৮ বলে ২৩ রান করা ক্যাম্পবেল কেলাওয়েকেও বোল্ড করেন শামীম। তারপর ১৬ বলে ১৫ রান করা ব্লেক ম্যাকডোনাল্ডকে ফেরান রনি। ৫৫ রানে তিন উইকেট হারানো দলটি লক্ষ্যে পৌঁছাতে পৌঁছাতে আরো ছয় উইকেট হারায়।

সেমিফাইনালে ১৫ রানে ৩ উইকেট নিয়ে আসরজুড়ে নিজের দুর্দান্ত ফর্ম ধরে রাখেন রুবেল। সাত ম্যাচে তার শিকার ২৩ উইকেট। ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন মাত্র ৫.৮২। পুরো আসরে তার চেয়ে বেশি উইকেট নেই আর কোনো বোলারের।

এ ছাড়া ১৮ রানে দুই উইকেট নেন শামীম। একটি করে উইকেট নেন রনি, রিপন এবং রাকিবুল হাসান। উইকেটরক্ষক লিয়াম ব্ল্যাকফোর্ড ২৬ বলে ১৯ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান। ১৯.৪ ওভারে ম্যাচ জিতে ভিক্টোরিয়া।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য ভিক্টোরিয়া একাডেমির প্রয়োজন ছিল মাত্র ১ রান, হাতে ছিল ১ উইকেট। প্রথম বলেই টড মার্ফি রান আউট হলে ম্যাচ তখন সমতায়। পরের দুই বলে কোনো রান নিতে দেননি শামীম। তাতে ম্যাচ গড়ানোর সম্ভাবনা জেগেছিল সুপার ওভারে। কিন্তু চতুর্থ বলে জায়গা বানিয়ে কাভার দিয়ে চার মেরে দলকে জিতিয়ে দেন ব্ল্যাকফোর্ড।

আরো পড়ুন: