কখনো কখনো সেখানকার তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও নেমে আছে। বর্তমানে ম্যাকাইয়ে কনকনে ঠান্ডা। আবহাওয়ার মতো ম্যাকাইয়ের উইকেটেও থাকবে ভিন্নতা। ডারউইনে প্রথম টেস্টের টেস্টের প্রথম দিনের পর পেসাররা খুব বেশি বাড়তি সুবিধা পাননি। দ্বিতীয় টেস্টের উইকেটে অবশ্য পেসারদের দাপটই দেখা যাবে। ম্যাকাইয়ের পিচ কিউরেটর পিটার কাজাকফের চাওয়া অবশ্য, ব্যাটে-বলের সমান লড়াই।
গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকারে পিটার বলেন, ‘ব্যাটার ও বোলারের মধ্যে যাতে একটা সমান লড়াই হয় আমরা তেমন একটা উইকেটের প্রত্যাশা করছি। ম্যাচের শেষ দিকে গিয়ে স্পিনাররা যেন সাহায্যও পান।’ উইকেটে অবশ্য এখনো ঘাসের আধিক্য রয়েছে। তাসকিন আহমেদ মজার ছলেই বলেছেন, ‘সবুজ মাটির উপর একটু ঘাস।’
উইকেট পেসারদের জন্য কতটা সহায়ক হবে সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনের বিখ্যাত গ্যাবার মাটি দিয়ে বানানো হয়েছে দ্বিতীয় টেস্টের উইকেট। অর্থাৎ উইকেটে বাড়তি বাউন্স থাকবে, গতি ও সুইং থাকবে। যা কিনা ব্যাটারদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে। বিশেষ করে প্রথম ও দ্বিতীয় দিনে কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে দুই দলের ব্যাটারদের।
উইকেটের বাউন্স নিয়ে পিটার বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা মূলত সেটাই (বাড়তি বাউন্স) নিশ্চিত করতে চাচ্ছি। উইকেটে প্রচুর গতি থাকবে এবং বল খুব ভালোভাবে ব্যাটে আসবে। গ্যাবার মাটির গুণাগুণের সঙ্গে এর বেশ মিল রয়েছে। আশা করছি আচরণও অনেকটা একই রকম হবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমার মতে, উইকেটটা পেস সহায়কই হবে। তবে এটা নতুন বলের উইকেট। একবার নতুন বল সামাল দিতে পারলে প্রথম দিনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় সেশনে রান তোলার দারুণ সুযোগ থাকবে। আশা করছি ম্যাচের শেষের দিকে স্পিনাররাও ভূমিকা রাখতে পারবে।’
ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনা একেবারে সমুদ্রের কাছাকাছি। স্বাভাবিকভাবে বাতাসও একটু বেশি। নাজমুল হোসেন শান্তও জানিয়েছেন, বাতাস থাকায় পেসাররা বাড়তি সুইং পাবেন। পিচ কিউরেটর পিটারও জানান, পুরো ম্যাচ জুড়েই জোরালো বাতাসের একটা প্রভাব থাকবে।
তিনি বলেন, ‘সমুদ্রের কাছাকাছি হওয়ায় এখানে এমনিতেই বাতাস একটু বেশি থাকে। এখন তো বাতাস আরও বেশি। আমার ধারণা পুরো ম্যাচ জুড়েই মাঠের এক পাশ থেকে অন্য পাশে জোরালো বাতাস থাকবে।’