জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের সাদা বলের দুই সিরিজেই বাংলাদেশের অন্যতম সেরা পারফর্মার ছিলেন তানজিদ। ওয়ানডে সিরিজে তিন ম্যাচে ১৫৯ রান করেছেন বাঁহাতি এই ওপেনার। তার ব্যাটিং গড় ছিল ৫৩ এবং স্ট্রাইক রেট ৮৯.৮৩। ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজেও নিজের ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন তানজিদ।
তিন ম্যাচের সিরিজে তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে আরও ১৪০ রান। গড় ৭০, স্ট্রাইক রেট ১২৭.২৭। অর্থাৎ দুই সংস্করণ মিলিয়ে জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৯৯ রান করেছেন তিনি। দুই সিরিজেই বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন তানজিদ। তার ব্যাটিংয়ের ধারাবাহিকতা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ।
এদিকে টেস্টে ব্যাটে-বলে আলো ছড়িয়ে মাস সেরার লড়াইয়ে জায়গা করে নিয়েছেন গ্রিভস। তিনি জুলাই মাসে দুই টেস্টে ২১৫ রান করেছেন ৭১.৬৬ গড়ে। পাশাপাশি নিয়েছেন আট উইকেট, তার বোলিং গড় মাত্র ১০.২৫। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নর্থ সাউন্ড টেস্টে ১৮০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি।
মাসের শেষ দিকে পাকিস্তানের বিপক্ষে তারৌবায় প্রথম ইনিংসে ২৭ রানে ৫ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে আরও ২ উইকেট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন গ্রিভস। ওয়ানডেতে দুই ম্যাচে করেছেন ৩২ রান, স্ট্রাইক রেট ১১৪.২৮। এদিকে ইংল্যান্ডের হ্যারি ব্রুকও জুলাইয়ে ছিলেন দুর্দান্ত।
ভারতের বিপক্ষে তিন ওয়ানডেতে ৩১ রান করলেও টি-টোয়েন্টি সিরিজে দারুণ কার্যকর ব্যাটিং করেছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। পাঁচ ম্যাচে ২২৯ রান করেছেন ব্রুক। গড় ১১৪.৫০, স্ট্রাইক রেট ২১৪.০১। তার আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ভর করে ভারতকে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দুই সিরিজেই হারিয়েছে ইংল্যান্ড। টি-টোয়েন্টি সিরিজে সর্বোচ্চ রান করে সিরিজসেরার পুরস্কারও পেয়েছেন ব্রুক।