বাংলাদেশ সফর নিয়ে ভারত সরকারের দুয়ারে বিসিসিআই

বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ
ফাইল ফটো
ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সিরিজ শুরু হওয়ার কথা ১ সেপ্টেম্বর। অর্থাৎ সিরিজ শুরুর আগে সময় আছে তিন সপ্তাহেরও কম। তবে নির্ধারিত সময়ে ঢাকায় ভারতের সফর হবে কি না, সেটি এখনো নিশ্চিত নয়। সফর নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়াকে (বিসিসিআই) সরকারের অনুমতি ও নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সফর নিয়ে এই মুহূর্তে নিজেদের মতো করে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার অবস্থায় নেই বিসিসিআই। বিষয়টি নিয়ে শিগগিরই দেশটির সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করবে তারা। সরকারের নির্দেশনা পাওয়ার পরই সফর নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

‘বাংলাদেশ সফরের বিষয়ে অনুমতি ও স্পষ্ট ধারণার জন্য আমরা সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করব। এ মুহূর্তে নিজেদের মতো করে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে শিগগিরই আমরা সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করব,’ বিসিসিআইয়ের একটি সূত্র সংবাদমাধ্যমটিকে বলেছে।

সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশ সফরে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার কথা ভারতের। ১ সেপ্টেম্বর প্রথম এক দিনের ম্যাচের পর ৩ ও ৬ সেপ্টেম্বর হবে সিরিজের বাকি দুটি ম্যাচ। এরপর ৯, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। সফরের জন্য ভারতীয় দলের ২৮ আগস্ট ঢাকায় আসার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি) সফর নিয়ে বিসিসিআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করছে বলে জানিয়েছে সূত্রটি, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আমাদের চিঠি দিয়েছে, আমাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগও হচ্ছে। শিগগিরই এ বিষয়ে আরও পরিষ্কার হওয়া যাবে,’ বলেছে সূত্রটি।

দুই দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্কের সাম্প্রতিক টানাপোড়েনের কারণে এবার সফর নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর আগে আইপিএলে বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির পর বাংলাদেশ নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি। এরপর দুই দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও পরিবর্তন এসেছে, যা নতুন করে সফরটি নিয়ে আলোচনা তৈরি করেছে।

মূলত ২০২৫ সালের আগস্টে বাংলাদেশ সফরে এসে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার কথা ছিল ভারতের। পরে দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সমঝোতায় সফরটি পিছিয়ে এ বছরের সেপ্টেম্বরের জন্য নির্ধারণ করা হয়। আন্তর্জাতিক সূচি ও সময়ের সুবিধার কথা জানিয়ে তখন সফর পেছানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।

আরো পড়ুন: