এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই সাদমান ইসলামকে হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ১১ বলে মাত্র ৯ রান করে আউট হন সাদমান। অবশ্য দিনের বাকি অংশে বাংলাদেশকে আর উইকেট হারাতে দেননি মাহমুদুল হাসান জয় ও মুমিনুল হক। দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ের চেয়ে পিছিয়ে আছে ২৩০ রানে। জয় ২১ ও মুমিনুল ৯ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামবেন তৃতীয় দিন।
দিনের শুরুতেই বাংলাদেশকে হতাশ করেন জিম্বাবুয়ের দুই ওপেনার। দিনের শুরুতেই লিড নিশ্চিত করে জিম্বাবুয়ে। ১৫৩ বলে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করেন ইনোসেন্ট কাইয়া। শেষ পর্যন্ত ২২৭ বলে ১৪০ রান করে তাইজুলের বলে সাদমান ইসলামের হাতে ক্যাচ দেন তিনি।
যদিও প্রথম সেশনে বাংলাদেশের প্রথম সাফল্য এনে দেন খালেদ আহমেদ। অফ স্টাম্পের বাইরে করা তার বলে উইকেটরক্ষক অমিত হাসানের হাতে ক্যাচ দেন ব্রেন্ডন টেলর। ১৭ রান করে আউট হন তিনি। এরপরও বাংলাদেশকে চাপে রাখেন কাইয়া ও ব্রায়ান বেনেট। ৬৭ বলে ৫৯ রান করা বেনেটকে নিজের বলে নিজেই ক্যাচ নিয়ে ফেরান তাইজুল।
মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ২৪৯ রান। তখনই স্বাগতিকদের লিড দাঁড়ায় ১৪৯ রান। বিরতির পর এক ওভারেই দুই উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে আশার আলো দেখান তাইজুল। এই বাঁহাতি স্পিনারের প্রথম বলেই আউট হন কাইয়া। পরের বলেই রান আউট হন সিগা। এরপর ক্রেইগ আরভিন ও ওয়েসলি মাধেভেরে ষষ্ঠ উইকেটে ১০২ রানের জুটি গড়ে জিম্বাবুয়ের লিড আরও বড় করেন।
৬০ রান করা আরভিনকে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে ক্যাচ বানিয়ে এই জুটি ভাঙেন তাইজুল। এরপর নিয়ামহুরিকেও স্লিপে ক্যাচ বানিয়ে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের ইনিংস গুটিয়ে দেন এই বাঁহাতি স্পিনারই। রিচার্ড এনগারাভা ও ব্লেসিং মুজারাবানিকে আউট করে ৭ উইকেট পূর্ণ করেন তাইজুল।
৪১০ রানে অলআউট হওয়ার আগে জিম্বাবুয়ে ২৭০ রানের লিড নিশ্চিত করে। তাইজুলের ৭ উইকেটের পাশাপাশি দুটি উইকেট পেয়েছেন খালেদ আহমেদ। একটি উইকেট এসেছে রান আউট থেকে। এর বাইরে হাসান মাহমুদ ও ইবাদত হোসেন কোনো উইকেট পাননি প্রথম ইনিংসে।