রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণেই ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশে ফিরতে পারেননি সাকিব। এরপর তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলাও দায়ের করা হয়েছে। তবে অনেকেই মনে করেন, হয়রানির জন্য এসব মামলায় জড়ানো হয়েছে সাকিবের নাম। এরই মধ্যে সেই মামলার ফাইল গেছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে।
মঙ্গলবার পুর্বাচলে বিসিবির নতুন স্টেডিয়ামের মাঠ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। সেখানেই বুলবুলকে প্রশ্ন করা হয়েছিল সাকিবকে নিয়ে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন বিষয়টি বোর্ডের হাতে নেই। তবে প্রক্রিয়াগত ঝামেলা শেষে জাতীয় দলের জন্য বিবেচিত হতে বাধা নেই সাকিবের।
বুলবুল বলেন, 'সাকিবের বাংলাদেশে আসা এবং বাংলাদেশে এসে আসার পরে আমাদের নির্বাচকরা যদি মনে করে সাকিব খেলার জন্য উপযুক্ত, খেলবে। আর আসাটার তো আপনারা জানেন যে এখানে বেশ কিছু অন্যান্য প্রক্রিয়াগত ঝামেলা আছে, সেগুলো তো ক্রিকেট বোর্ডের অধীনে নেই। তো আশা করব ওসব যদি সমাধান হয়ে যায় এবং সাকিবের যদি সেখার সুযোগ থাকে ইনশাল্লাহ আমরা তাকে দলে নেয়ার জন্য প্রস্তুত রাখব।'
এর আগে সাকিব ফেসবুক স্ট্যাটাসে জানান আপাতত তার পুরো মনোযোগ ক্রিকেটেই। এখনো দেশের হয়ে খেলতে চান তিনি। দেশের জার্সিতেই ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষ করার ইচ্ছের কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের এই সাবেক অধিনায়ক। দেশকে উপহার দিতে চান দারুণ কিছু পারফরম্যান্স।
সাকিব লিখেন ‘আসসালামু আলাইকুম সবাইকে। সম্প্রতি গণমাধ্যমে আমার একটি বক্তব্য বেশ আলোচনা তৈরি করেছে। আমি সবার কাছে বিষয়টি খুব স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে চাই। এই মুহূর্তে আমার পুরো মনোযোগ শুধুই ক্রিকেটে। ক্যারিয়ারের এই শেষ পর্যায়ে এসে আমি বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ উজাড় করে খেলতে চাই এবং সুযোগ পেলে দেশকে কিছু দারুণ পারফরম্যান্স উপহার দিতে চাই।’