রান তাড়ায় ভালো শুরু পেয়েছিল নেদারল্যান্ডস। উদ্বোধনী জুটিতে হেইদার সাইজার্স ও বেবেতে ডি লিড মিলে তোলেন ৫২ রান। পঞ্চম ওভারে ২১ রান করা সাইজার্সকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন ফারিহা ইসলাম। আরেক ওপেনার ডি লিডের উইকেটও নিয়েছেন তিনি। ডাচ ওপেনার ১৪ বলে খেলেছেন ৩০ রানের ইনিংস। তবুও জিততে পারেনি তারা। শেষ পর্যন্ত ৮৫ রানে থামতে হয় তাদের। বাংলাদেশের হয়ে ফারিহা দুইটি উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে লম্বা সময় বৃষ্টি হওয়ার কারণে ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমিয়ে আনা হয় ৮ ওভারে। বৃষ্টিবিঘ্নিত দিনে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় নেদারল্যান্ডস। তবে উইকেট থেকে খুব বেশি সুবিধা আদায় করতে পারেনি তারা। সেটার একটা বড় কারণ জুয়াইরিয়া ও দিলারার ব্যাটিং। ইনিংসের প্রথম ওভার থেকেই ডাচ বোলারদের উপর চড়াও হয়েছিলেন তারা দুজন।
ইনিংসের চতুর্থ ওভারে এসে বাংলাদেশের ৪২ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে জুয়াইরিয়ার বিদায়ে। তরুণ ওপেনার আউট হয়েছেন ৮ বলে ১৩ রান করে। তিনে নেমে দিলারাকে সঙ্গ দেন সোবহানা মোস্তারি। ঝড় তোলেন অবশ্য দিলারা। আক্রমণাত্বক ব্যাটিংয়ে মাত্র ২২ বলেই হাফ সেঞ্চুরি করেন ডানহাতি এই ওপেনার। বাংলাদেশের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে দ্রুততম পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস খেলার রেকর্ড।
এর আগে ২৮ বলে হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড আছে রুমানা আহমেদের। ২০১৯ সালে লাহোরে পাকিস্তানের বিপক্ষে রেকর্ডটি গড়েছিলেন তিনি। একই বছর মালদ্বীপের বিপক্ষে ৩০ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন ফারজাহানা হক। তাদের দুজনকেই ছাড়িয়ে গেছেন দিলারা। তবে পঞ্চাশের পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি।
৮ চার ও ২ ছক্কায় ২৬ বলে ৫১ রানের ইনিংস খেলে বোল্ড হয়ে ফিরতে দিলারাকে। ৯ বলে ১১ রান করে অপরাজিত ছিলেন সোবহানা। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি আউট হয়েছেন ৪ বলে ৯ রান করে। শেষ পর্যন্ত ৮ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৯৮ রানের পুঁজি পায় বাংলাদেশের মেয়েরা।