চেন্নাইয়ের দলের প্রধান কোচ হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন ফ্লেমিং। তাঁর অধীনে দলটি পাঁচবার আইপিএলের শিরোপা জিতেছে। এ ছাড়া সাউথ আফ্রিকা ও যুক্তরাষ্ট্রের ফ্র্যাঞ্চাইজি দলগুলোর সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি। খেলোয়াড় ও কোচ হিসেবে ইংল্যান্ডের ক্রিকেটের সঙ্গেও রয়েছে তার দীর্ঘ সম্পর্ক।
টেস্ট দলের জন্য সঠিক প্রার্থী নির্বাচন করাই ইংল্যান্ডের মূল লক্ষ্য। আগামী মৌসুমের অ্যাশেজ প্রতিযোগিতায় অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর মতো প্রস্তুতি নিতে পারে, এমন একজনকে দায়িত্ব দিতে চায় তারা।
ফ্লেমিংয়ের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে সাদা বলের দলের প্রধান কোচ হিসেবে এখনও দায়িত্বে থাকা ম্যাককালামের সঙ্গে সমন্বয় তৈরি করা। দুজনই নিউজিল্যান্ডের সাবেক সতীর্থ। একই সঙ্গে তাদের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্কও রয়েছে। তাই একই বোর্ডের অধীনে দুই ধরনের দলের দায়িত্ব ভাগাভাগির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
তবে পাকিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজ থেকেই ফ্লেমিং দায়িত্ব নেবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। আগামী ১৯ আগস্ট হেডিংলিতে শুরু হতে যাওয়া ওই প্রতিযোগিতার আগে নতুন প্রধান কোচ নিয়োগ হলেও সময়ের বিষয়টি বিবেচনা করছে ইংল্যান্ড। মূলত অ্যাশেজের আগে দলকে প্রস্তুত করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।
অ্যাশেজের আগে ইংল্যান্ড খেলবে মোট ১০টি টেস্ট। পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনটি, সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে তিনটি, বাংলাদেশ সফরে দুটি, মেলবোর্নে ঐতিহাসিক ১৫০তম টেস্ট এবং দেশের মাটিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে আরও একটি টেস্ট রয়েছে। ২০১৫ সালের পর অ্যাশেজ জিততে না পারা ইংল্যান্ড এবার এই প্রতিযোগিতাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
নতুন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিলে ফ্লেমিংয়ের অন্যতম বড় সিদ্ধান্ত হবে টেস্ট দলের নতুন অধিনায়ক নির্বাচন করা। বেন স্টোকস সরে দাঁড়ানোর পর সহ-অধিনায়ক হ্যারি ব্রুককে এগিয়ে রাখা হলেও তিনি ইতোমধ্যে সাদা বলের দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাই অন্তর্বর্তীকালীনভাবে আবার জো রুটকে দায়িত্ব দেয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।