এবার টুর্নামেন্টে যোগ হয়েছে নতুন দুটি ধাপ, সুপার সিরিজ ও সুপার সেভেন। ২০২৩ বিশ্বকাপে ছিল ১০টি দল। সেবার চ্যাম্পিয়ন হতে অস্ট্রেলিয়াকে খেলতে হয়েছিল ১১টি ম্যাচ, যার মধ্যে ছিল ৯টি গ্রুপ ম্যাচ, একটি সেমিফাইনাল ও একটি ফাইনাল। নতুন কাঠামোয় ২০২৭ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দলকে অন্তত ১৩টি ম্যাচ খেলতে হবে।
এর মধ্যে থাকবে ৫টি গ্রুপ ম্যাচ, ৬টি সুপার সেভেন ম্যাচ, একটি সেমিফাইনাল ও একটি ফাইনাল। এমনকি সুপার সিরিজ থেকে নিচের সারির কোনো দল ফাইনালে উঠলে চ্যাম্পিয়ন দলকে খেলতে হতে পারে ১৫টি ম্যাচও। দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বকাপে বড় স্কোয়াডের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।
২০১৯ ও ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পাশাপাশি ২০২২, ২০২৪ ও ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ইনজুরি সমস্যার কারণে বিভিন্ন সময় একদশ সাজাতেই হিমশিম খেতে হয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে। বুধবার অস্ট্রেলিয়ার রেডিও স্টেশন এসইএনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ম্যাকডোনাল্ড বলেন, টুর্নামেন্টে ম্যাচ সংখ্যা বাড়লে স্কোয়াডও বড় হওয়া উচিত।
তিনি বলেন, ‘আমার দৃষ্টিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, যদি এটি ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর হয়, তাহলে স্কোয়াডের আকার কেমন হবে? গত বিশ্বকাপে ১৫ সদস্যের স্কোয়াড নিয়ে আমরা বড় সমস্যায় পড়েছিলাম। নিউজিল্যান্ডও একই পরিস্থিতিতে ছিল। ট্রাভিস হেডের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার ইনজুরিতে ছিল।’
ম্যাকডোনাল্ড আরও যোগ করেন, ‘নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসনসহ আরও কয়েকজনও চোটে ভুগছিল। ফলে টুর্নামেন্টের শুরুতে আমাদের হাতে কার্যত ১২ বা ১৩ জন খেলোয়াড় ছিল। অন্যদের সুস্থ হওয়ার অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে। এতে আমরা যেভাবে খেলতে চেয়েছি বা দল সাজাতে চেয়েছি, তা সবসময় সম্ভব হয়নি। বিশেষ করে বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার বিষয়টিও কঠিন হয়ে পড়ে।’