সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পারফরম্যান্স করে আইসিসির মাসসেরা হওয়ার দৌড়ে নাম লিখিয়েছেন স্যামসন ও বুমরাহ। অন্যদিকে কিউইদের বিপক্ষে অভিষেক সিরিজেই আলো ছড়িয়ে মাসসেরার মনোনয়ন পেয়েছেন এস্টারহুইজেন। বিশ্বকাপে সবচেয়ে আলোচিত ছিলেন সাঞ্জু স্যামসন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুতে একাদশে না থাকলেও শেষদিকে সুযোগ পেয়ে বিশ্বমঞ্চে নিজেকে নতুন করে চিনিয়েছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
সুপার এইট পর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাঁচা মরার ম্যাচে অপরাজিত ৯৭ রান করার পর সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করেন ৮৯। একই স্কোর করেন ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও। তার এই ধারাবাহিকতা ভারতকে শিরোপা ধরে রাখতে সাহায্য করার পাশাপাশি তাকে এনে দেয় টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার।
মার্চে খেলা তিনটি টি-টোয়েন্টিতে স্যামসন করেছেন ২৭৫ রান, গড় ১৩৭.৫০ এবং স্ট্রাইক রেট ১৯৯.২৭। তার এই পারফরম্যান্স তাকে টানা ম্যাচসেরা হওয়ার দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। বুমরাহও ছিলেন দুর্দান্ত ছন্দে। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই কার্যকর বোলিং করা এই পেসার নকআউট পর্বে নিজেকেই ছাড়িয়ে গেছেন।
সুপার এইটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুটি উইকেট নেন তিনি, যার মধ্যে ছিল শিমরন হেটমায়ারের গুরুত্বপূর্ণ উইকেটটিও। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পার্থক্য গড়ে দিয়েছিলেন বুমরাহই। অন্য বোলাররা যেখানে প্রতি ওভারে ৯.৫০ এর বেশি রান দিচ্ছিলেন, সেখানে ১৬তম ও ১৮তম ওভারে মাত্র ৮ ও ৬ রান দেন তিনি। তার বোলিং ফিগার ছিল ৪ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ১ উইকেট। ২৫৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে ৭ রানে হেরে যায় ইংল্যান্ড।
ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আরও উজ্জ্বল ছিলেন বুমরাহ। চার ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট এবং জিতে নেন ম্যাচসেরার পুরস্কার। অন্যদিকে সাউথ আফ্রিকার হয়ে প্রথমবার মাসসেরার মনোনয়ন পেয়েছেন এস্টারহুইজেন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি অভিষেক সিরিজেই নজর কাড়েন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। পাঁচ ম্যাচে ৫০.০০ গড়ে এবং ১৪৫.৯৮ স্ট্রাইক রেটে করেন ২০০ রান।
অভিষেক ম্যাচে অপরাজিত ৪৫ রান করার পর সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে ৩৩ বলে ৫৭ রান করে তুলে নেন প্রথম হাফ সেঞ্চুরি এবং ম্যাচসেরার পুরস্কার। সিরিজের নির্ধারণী পঞ্চম ম্যাচে ৩৩ বলে ৭৫ রান করে সাউথ আফ্রিকাকে ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ জিততে সাহায্য করেন তিনি। সেই ম্যাচেও হন ম্যাচসেরা।