লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে রান তাড়ায় শুরুর আভাসই দিয়েছিলেন শর্ট ও হেড। তবে তাদের দুজনকে জুটি বড় করতে দেননি সাইম। ডানহাতি স্পিনারের ক্যারম বলে বোল্ড হয়েছেন ৫ রান করা শর্ট। নিজের দ্বিতীয় ওভারে এসে নিয়েছেন হেডের উইকেট। সাইমের ফুলার লেংথ ডেলিভারিতে লং অফের উপর দিয়ে ছক্কা মারার চেষ্টায় বাবরের আজমের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন ১৩ বলে ২৩ রান করা অজি ওপেনার।
দ্রুত দুই উইকেট হারানোর পর জুটি গড়ে তোলার চেষ্টা করেন ম্যাট রেনশ ও ক্যামেরন গ্রিন। দুজনে মিলে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলেও জুটি বড় করতে পারেননি। নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে ফেরেন রেনশ। রানের খাতা খুলতে পারেননি কুপার কনোলি। সদ্য শেষ হওয়া বিগ ব্যাশে ছন্দে থাকলেও আবরারের বলে বোল্ড হয়েছেন তিনি।
৮ বলে ৮ রানের বেশি করতে পারেননি মিচেল ওয়েন। বাকিদের আসা-যাওয়ার মিছিলে একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন গ্রিন। যদিও অস্ট্রেলিয়ার রান একশ ছোঁয়ার আগে ফিরেছেন ৩১ বলে ৩৬ রান করে। শেষের দিকে ২৫ বলে অপরাজিত ৩৪ রানের ইনিংস খেলেন জাভিয়ের বার্টলেট। তবে ৮ উইকেটে ১৪৬ রান তুলে থামতে হয় অস্ট্রেলিয়াকে। পাকিস্তানের হয়ে সাইম ২৯ রানে দুইটি এবং আবরার ৪ ওভারে ১০ রান খরচায় নিয়েছেন দুইটি উইকেট।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি পাকিস্তানের। ইনিংসের প্রথম বলেই ফেরেন সাহিবজাদা ফারহান। তবে প্রথম বলে উইকেট হারানোর পর স্বাগতিকদের টেনে তোলেন সাইম ও সালমান আলী। তারা দুজনে মিলে দ্রুত রান তুলতে থাকেন। পাওয়ার প্লেতে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫৬ রান তোলে পাকিস্তান। তাদের দুজনের ৭৪ রানের জুটি ভাঙে ২২ বলে ৪০ রান করা সাইমের বিদায়ে। একটু পর ফেরেন সালমানও।
পাকিস্তানের অধিনায়কের ব্যাট থেকে এসেছে ২৭ বলে ৩৯ রান। বাকিদের মধ্যে কেউই সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। ২০ বলে ২৪ রান করেছেন বাবর। এ ছাড়া ফখর জামান ১৬ বলে ১০, উসমান খান ১৪ বলে ১৮ ও নাওয়াজ ১৪ বলে ১৫ রান করেছেন। ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৮ রানের পুঁজি পায় পাকিস্তান। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২৪ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন অ্যাডাম জাম্পা। দুইটি করে উইকেট পেয়েছেন মাহলি বিয়ার্ডম্যান ও বার্টলি।