দলে জায়গা পেয়েছেন ওয়ারউইকশায়ারের স্পিনার ফোবি ব্রেট। ২০২৫ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল খেলা ইংল্যান্ড দলেরও সদস্য ছিলেন তিনি। দলে ফিরেছেন দ্য ব্লেজের মারিয়া অ্যান্ড্রুজও। গত বিশ্বকাপে তিনি ছিলেন সফর না করা রিজার্ভ খেলোয়াড়দের তালিকায়।
দলের বেশ কয়েকজন এরই মধ্যে কাউন্টি ক্রিকেটের শীর্ষ স্তরে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তাদের মধ্যে আছেন এসেক্সের অলরাউন্ডার ব্রায়োনি গিলগ্রাস, ইয়র্কশায়ারের লেগস্পিনার হলি গার্টন এবং ল্যাঙ্কাশায়ারের ১৬ বছর বয়সী লেগস্পিনার ভেনাস ভিরাপুলি। বিশ্বকাপের জন্য দলের অধিনায়কের নাম পরে ঘোষণা করা হবে।
বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত দলের বাইরে আরও পাঁচজনকে রিজার্ভ হিসেবে রাখা হয়েছে। তারা শুধু বিকল্প হিসেবে থাকছেন না, মূল দলের সঙ্গে অনুশীলন ক্যাম্প ও ভারত সফরেও অংশ নেবেন। ফলে বিশ্বকাপের আগে পুরো স্কোয়াডের প্রস্তুতির সুযোগ থাকবে।
ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলের প্রধান কোচ ক্রিস গেস্ট বলেছেন, এই দলকে নিয়ে বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে ভালো প্রস্তুতি নিতে চান তারা। তার লক্ষ্য শুধু বিশ্বকাপ জেতা নয়, ভবিষ্যতে পেশাদার ক্রিকেটের জন্য খেলোয়াড়দের প্রস্তুত করাও। আগের আসরগুলোর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবার প্রস্তুতির ধরনেও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।
বিশ্বকাপের আগে খেলোয়াড়দের ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা বাড়াতে ভারত সফরের আয়োজন করা হয়েছে। নভেম্বরে বারোদায় ভারতের বিপক্ষে দুটি টি-টোয়েন্টি খেলবে ইংল্যান্ড। এরপর সুরাটে হবে আরও তিনটি ম্যাচ।
ইংল্যান্ডের অনূর্ধ্ব-১৯ দল: মারিয়া অ্যান্ড্রুজ, অ্যামেলি বিশপ, ফোবি ব্রেট, এলিজা ব্রিস্টো, ফ্লোরা ডেভিস, হলি গার্টন, ব্রায়োনি গিলগ্রাস, জেনেভিভ জিয়ার, অ্যামেলিয়া অলিভার, শ্রিষ্টি পাটিল, প্রার্থনা রেড্ডি, ফেইথ টিকাসিংহ, ক্লারা থ্যাকার, স্কাই থমাস ও ভেনাস ভিরাপুলি।
রিজার্ভ: অ্যাভা ক্লাইভ, ইভরিন ধালিওয়াল, লিবি ফেলোস, লুসি র্যান্ডল-বিসেল ও ইসোবেল থর্নডাইক।