অভিযুক্তদের একজন চট্টগ্রাম রয়্যালসের সাবেক মালিক মো. আবদুল কাইয়ুম রাশেদ। অন্যজন দুর্বার রাজশাহীর ১১তম আসর এবং চট্টগ্রাম রয়্যালসের ১২তম আসরের সাবেক কর্মকর্তা মো. আমিন খান। বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের তদন্তের ভিত্তিতেই তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
কাইয়ুম রাশেদের বিরুদ্ধে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার চারটি ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ম্যাচের ফল, গতিপথ বা কোনো দিক অনৈতিকভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা, দুর্নীতিতে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব বা যোগাযোগের তথ্য সময়মতো না জানানো, তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তে বাধা দেওয়া বা বিলম্ব ঘটানো।
তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগের অংশ হিসেবে নিজের ব্যবহৃত প্রধান মুঠোফোন বিসিবির দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তার কাছে জমা না দেয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করেছে বিসিবি। ওই মুঠোফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা না হওয়ায় সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ও তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে আমিন খানের বিরুদ্ধে চারটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে ম্যাচের ফল বা কোনো দিক অনৈতিকভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা এবং কোনো অংশগ্রহণকারীকে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে উৎসাহিত কিংবা সহায়তা করার অভিযোগ রয়েছে। তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ বা তথ্য গোপন কিংবা নষ্ট করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
বিসিবি জানিয়েছে, অভিযোগ পাওয়ার পর দুই ব্যক্তিকেই সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অভিযোগের নোটিশ পাওয়ার পর নিজেদের বক্তব্য জানানোর জন্য তারা ১৪ দিন সময় পাবেন। আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালা অনুযায়ী চলমান শাস্তিমূলক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তাদের এই সুযোগ দেয়া হয়েছে।
বিপিএলের ১১তম ও ১২তম আসর ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ, তথ্য গোপন, তদন্তে অসহযোগিতা এবং তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগের তদন্ত করেছে বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিট। তবে এ বিষয়ে এই মুহূর্তে আর কোনো মন্তব্য করবে না বলে জানিয়েছে বিসিবি।