মিরপুর শের-এ বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নামে অনূর্ধ্ব-১৭। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে পেসার রিজান হোসেনের বলে আহরার আমিনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান ওপেনার নয়ন বাবু। ১৬ বলে ১ রান করেন তিনি। এরপর আবদুল্লাহ হিল বাকিকে নিয়ে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন করেন অধিনায়ক হাসান।
পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে আবারো রিজান ভাঙেন এই জুটি। ২০ বলে ৯ রান করা হাসানকে লেগ বিফোর করেন রিজান। এরপর গালিবকে ফিরিয়ে নিজের উইকেট শিকারের উৎসব শুরু করেন জীবন। অনূর্ধ্ব-১৭ দলের ইনিংস সর্বোচ্চ ১৮ রান করা গালিবকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানান জীবন। এরপর একে একে ফেরান সৌরভ কর্মকার, রিফাত হাওলাদার, মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ও সিফাত আলীকে। নিজের সপ্তম ওভারে সিফাতকে ফিরিয়ে নিজের ৫ উইকেট পূর্ণ করেন এই অফ স্পিনার।
পারভেজের ৫ উইকেটের সাথে দুইটি উইকেট নেন বাঁহাতি চায়নাম্যান নুহায়েল সানদীদ। পাশাপাশি রিজান দুইটি ও অলরাউন্ডার মাহফুজুর রাব্বি একটি উইকেট নেন।
৬০ রানের ছোট লক্ষ্যে খেলতে নামেন দুই ওপেনার খালিদ হাসান ও রিফাত বেগ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই বাগড়া দেয় বৃষ্টি। বিনা উইকেটে ৭ রান নিয়ে তখন জয় থেকে ৫৩ রান দূরে অনূর্ধ্ব-২৩ দল। কিন্তু এরপর বৈরি আবহাওয়ার কারণে এই ম্যাচ আর শুরু করা যায়নি।