অনেক টাকা খরচ হলেও ইংল্যান্ডকে বাংলাদেশ সফর করতেই হবে: ইসিবি প্রধান

বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড সিরিজ
রিচার্ড থম্পসন
রিচার্ড থম্পসন
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
২০১০ সালের জুনের পর ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলার সুযোগ পায়নি বাংলাদেশ। ১৭ বছর পর আবারও সাদা পোশাকের ম্যাচ খেলতে ইংল্যান্ডে যাচ্ছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। অ্যাশেজের প্রস্তুতি সারতে ২০২৭ সালের মে মাসে লর্ডসে বাংলাদেশের বিপক্ষে একটি টেস্ট খেলবে ইংল্যান্ড। টেস্ট ক্রিকেটে লম্বা সময় কাটিয়ে দিলেও ইংলিশদের সঙ্গে ১০টির বেশি ম্যাচ খেলা হয়নি বাংলাদেশের।

ইংল্যান্ডের মাটিতে মাত্র চারটি টেস্ট খেলার সুযোগ হয়েছে তাদের। দেশের মাটিতেও খুব বেশি ম্যাচ খেলা হয়নি। সবশেষ ২০১৬ সালে টেস্ট খেলার জন্য বাংলাদেশ সফর করেছে ইংল্যান্ড। এক দশক পর আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে আসছেন জো রুট-হ্যারি ব্রুকরা। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে দুই টেস্টের সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফরে করবে ইংলিশরা। বাংলাদেশ সফরে করতে বড় অঙ্কের টাকা খরচা করতে হবে ইংল্যান্ডকে।

নিজেরা আয়োজক না হওয়ায় প্রত্যাশিতভাবেই সেই সিরিজ থেকে খুব বেশি আয়ের সুযোগ নেই তাদের। রিচার্ড থম্পসন জানিয়েছেন, টেস্ট ক্রিকেটের স্বার্থে অনেক সময় প্রয়োজন না হলেও তারা টাকা খরচ করেন। বাংলাদেশ সফরকেও টেস্ট ক্রিকেটের স্বার্থ হিসেবেই দেখছেন ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) চেয়ারম্যান। তিনি জানান, বাংলাদেশ সফর তাদের করতেই হবে।

স্কাই স্পোর্টসের সঙ্গে আলাপকালে থম্পসন বলেন, ‌‘বাস্তবতা হচ্ছে আমরা এমন কিছু কাজ করি, যেগুলো না করলেও চলে এবং সেগুলো করতে আমাদের অনেক টাকা খরচ হয়। সামনে আমাদেরকে বাংলাদেশ সফর করতে হবে, সেটা করার জন্য আমাদের অনেক টাকা খরচ হবে। কিন্তু আমাদেরকে সেটা করতেই হবে।’

কদিন আগে ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্তদের এমন পারফরম্যান্স চোখ এড়ায়নি ইসিবি চেয়ারম্যানের। থম্পসন মনে করেন, বাংলাদেশের মধ্যে সম্ভাবনা আছে। তিনি বলেন, ‘দেখুন, কিছুদিন আগেই বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে। এটা প্রমাণ করে যে তাদের মধ্যে সম্ভাবনা ও সামর্থ্য আছে।’

টেস্ট ক্রিকেটের প্রয়োজনে অনেক সময়ই হিসেবে বাইরে টাকা খরচ করে ইংল্যান্ড। যার বড় উদাহরণ হতে পারে জিম্বাবুয়ের ইংল্যান্ড সফর। অ্যাশেজ কিংবা দেশের মাটিতে গ্রীষ্ম মৌসুম শুরুর আগে জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ডের মতো দলকে আমন্ত্রণ জানায় তারা। যেখানে জিম্বাবুয়েকে উল্টো টাকা দিয়ে আনতে হয়। আগামী বছর জিম্বাবুয়ের পরিবর্তে আতিথ্য দেবে বাংলাদেশকে।

সাদা পোশাকের ক্রিকেটের ঐহিত্য রক্ষা করা নিয়ে থম্পসন বলেন, ‘এমনও হয়েছে জিম্বাবুয়েকে টাকা দিয়ে এখানে এনেছি এবং টেস্ট ম্যাচ খেলিয়েছি। পয়েন্ট হচ্ছে এটা সবসময় আর্থিক ব্যাপার নয়, আমাদের কাছে মানটা গুরুত্বপূর্ণ। আর এখানে মান হচ্ছে টেস্ট ক্রিকেটের ঐতিহ্য রক্ষা করা। আমরা জানি আমরা ব্যতিক্রম।’