এই অ্যাশেজ হারের ধাক্কায় ইংল্যান্ডের প্রধান কোচের পদ হারিয়েছেন ব্র্যান্ডন ম্যাককালাম। পাশাপাশি অধিনায়ক স্টোকস অবসরে যেতেই বাধ্য হয়েছেন। যদিও ইংল্যান্ডের সাবেক পেসার স্টুয়ার্ট ব্রড মনে করেন বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার হার বরং ইংল্যান্ডের অ্যাশেজ হারের ক্ষতকে আরও উসকে দিয়েছে।
‘ফর দ্য লাভ অব ক্রিকেট’ পডকাস্টে তিনি বলেন, 'বাংলাদেশের জন্য আমি সত্যিই আনন্দিত। কিন্তু এই ফলটা ইংল্যান্ডের শীতকালীন পারফরম্যান্সের একটা তিক্ত, টক স্বাদ রেখে গেছে, যেটা এখনো কাটেনি। যদিও আমরা সামনে এগিয়ে গেছি, নতুন অধিনায়ক, নতুন কোচ এসেছে, তবু আমার মনে হচ্ছে, ওটা আমাদেরও হতে পারত, আমাদেরই হওয়া উচিত ছিল।'
ব্রড আরও বলেন, এই অপ্রত্যাশিত হার অস্ট্রেলিয়ার ব্যর্থ ব্যাটিং লাইনআপে পরিবর্তন এনে দলকে নতুন করে গড়ে তোলার উদ্যোগ ত্বরান্বিত করতে পারে। ডারউইনে অস্ট্রেলিয়া প্রায় পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এরই মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্সও স্বীকার করেছেন, পরিবর্তনের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
সাবেক ইংলিশ পেসার ব্রড অবশ্য এর আগেই গ্রীষ্মের অ্যাশেজ সিরিজ শুরুর আগে অস্ট্রেলিয়া দলকে গত ১৫ বছরের সবচেয়ে দুর্বল দল হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন। সেই মন্তব্যের জন্য তখন ব্যাপক বিদ্রুপের শিকার হয়েছিলেন তিনি। তবে এখন মনে হচ্ছে, তার সেই মূল্যায়ন খুব একটা ভুল ছিল না।
ব্রড এখন মনে করেন অস্ট্রলিয়ার হাতে দুটি পথ খোলা আছে। এখনই বড় পরিবর্তন আনা বা আগামী অ্যাশেজ পর্যন্ত অপেক্ষা করা। তিনি বলেন, ‘ওরা এখন এমন একটা পর্যায়ে চলে যাচ্ছে, যেখানে দলে নতুন কিছু খেলোয়াড় আনতেই হবে। প্রশ্ন হলো, তারা এখনই সেটা করবে কি না, নাকি ভাববে, ‘পরের অ্যাশেজ সিরিজ শেষ হওয়া পর্যন্ত কি টিকে থাকা যায়, এরপর নতুন করে শুরু করব?’’