ম্যাচে ৫৫ রান খরচায় ছয় উইকেট নিয়েছেন হাসান। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এটাই বাংলাদেশের কোনো বোলারের সবচেয়ে ভালো বোলিং পারফরম্যান্স। অজিদের মাটিতে প্রথম ৫ উইকেট নেয়া বোলারও হাসান।
এ দিন দুই উইকেট করে পেয়েছেন হাসানের দুই সতীর্থ তাসকিন আহমেদ এবং ইবাদত হোসেন। তাসকিন ৫৫ রানে এবং ইবাদত ৩৯ রানে পেয়েছেন দুটি করে উইকেট। দিনের খেলা শেষে তাদের কৃতিত্ব দিতে ভোলেননি হাসান।
হাসান বলেন, 'বিশ্বের অন্যতম সেরা দলের বিপক্ষে বোলিং করাটা খুবই চ্যালেঞ্জিং। আর আমি মনে করি যে, আমরা অনেক অনুশীলন করেছি এবং প্রস্তুতি হিসেবে বলব যে খুবই ভালো প্রস্তুতি ছিল। অনেকদিন সময় পেয়েছিলাম অনুশীলন করার এবং আমার মনে হয় বোলাররা খুবই ভালো অনুশীলন করেছে এবং ম্যাচে আপনি তা দেখতে পাচ্ছেন। সব মিলিয়ে তারা খুবই সাহায্য করেছে, বিশেষ করে তাসকিন এবং ইবাদত, তারা খুবই ভালো বোলিং করেছে।'
'সকালে উইকেটে কিছুটা আর্দ্রতা ছিল, উইকেট নরম ছিল এবং বলের মুভমেন্ট হচ্ছিল। তো আমরা যেটা পরিকল্পনা করেছিলাম যে, আমরা খুবই সুশৃঙ্খল বোলিং করব এবং জুটি বেঁধে বোলিং করব। সেটাই হয়েছে। ইবাদত ও তাসকিন এক পাশ থেকে খুবই ভালো বোলিং করেছে এবং শেষ পর্যন্ত আমরা চাপ তৈরি করতে পেরেছিলাম, যার ফলে শেষটা ভালো হয়েছে।'
বাংলাদেশের ইনিংসে ২০ রান করে ফিরে গেছেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। তারপর তানজিদ হাসান তামিম ৬৭ বলে ৩২ এবং মুমিনুল হক ৪৯ বলে ৩৫ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের বড় সংগ্রহ চান হাসান।
তিনি আরো বলেন, 'এখন ব্যাটারদের কথা যদি বলি, আমরা খুবই ভালো শুরু করেছি। দুর্ভাগ্যবশত সাদমান ভাই শেষ করতে পারেননি, তবে এখন যে জুটি হচ্ছে, আলহামদুল্লাহ এটা বজায় রাখতে পারলে আমরা বড় একটা ইনিংস খেলতে পারব।'