টস জিতে আগে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় মালয়েশিয়া। ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ এইচপিকে। তবে আগে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে খুব ভালো শুরু করতে পারেননি বাংলাদেশ এইচপির টপ অর্ডার ব্যাটাররা। দ্বিতীয় ওভারেই রানের খাতা খোলার আগে ডাক হাঁকিয়ে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার জিসান আলম।
৭ রানে বাংলাদেশ হারায় নিজেদের প্রথম উইকেট। এরপর আরিফুল ইসলাম এবং জাওয়াদ আবরার মিলে গড়ে তুলেন জুটি। তবে সেই জুটি লম্বা হওয়ার আগেই আরিফুল সাজঘরে ফেরেন পাওয়ার প্লে'র শেষ ওভারে, দলীয় ৪১ রানে। আরিফুল প্যাভিলিয়নে ফেরেন নামের পাশে ১৫ রান নিয়ে। দুই উইকেট হারিয়ে পাওয়ার প্লে'র ছয় ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫০ রানের।
অষ্টম ওভারের প্রথম বলেই সফট ডিসমিসাল উপহার দেন জাওয়াদ আবরার। দারুণ ব্যাটিং দেখানো এই ওপেনার লম্বা করতে পারেননি নিজের ইনিংসটা। আউট হন ১৮ বলে ২৮ রানের ইনিংস খেলে। দলকে বড় রানের সংগ্রহ এনে দেয়ার দায়িত্বটা এসে পরে সাব্বির রহমানের উপর। উইকেটরক্ষক ব্যাটার প্রিতমের সঙ্গে গড়ার চেষ্টা গড়েন জুটি।
তবে নবম ওভারে সীমানায় ক্যাচ দিয়ে আউট হন প্রিতমও। এরপর অধিনায়ক এস এম মেহরব নেমে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে খুলেন নিজের রানের খাতা। বাউন্ডারি হাঁকাতে থাকেন সাব্বিরও। যদিও বড় ইনিংস খেলার সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। স্লোয়ার বলে বোলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাব্বির ফিরেন ১২ বলে ১৪ রান করে। শেষমেশ ইনিংসের মাঝামাঝিতে অর্থাৎ ১০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় পাঁচ উইকেট হারিয়ে ৭৫ রান।
১০ ওভারেই পাঁচ উইকেট হারিয়ে বিপদে পরা বাংলাদেশ এরপর খেলা শুরু করে দেখেশুনে। মেহরব এবং সাকলাইন খেলতে থাকেন প্রান্ত বদল করে। ব্যাট হাতে দায়িত্বশীল ইনিংস খেলা শুরু করেন অধিনায়ক মেহরব। তাকে সঙ্গ দেন বোলিং অলরাউন্ডার আব্দুল গাফফার সাকলাইন। তার চারেই বাংলাদেশ পার করে ১০০ রানের মাইলফলক।
১৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় সেই পাঁচ উইকেট হারিয়েই ১১৫ রানের। তবে ১৬তম ওভারের শেষ বলে সেই ছক্কা মারতে গিয়েই ক্যাচ তুলে আউট হন সাকলাইন। সাজঘরে ফেরেন ২৬ বলে ৩২ রান করে। ভাঙে অধিনায়কের সঙ্গে গড়া ৫২ রানের জুটিটা। দলীয় ১২৮ রানে বাংলাদেশ হারায় নিজেদের ৭ম উইকেট। মাত্র ১ রান করে ফেরেন আবু হায়দার রনি।