এই সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার টপ অর্ডারে তিন নম্বর ব্যাটিং পজিশন ধরে রাখার সুযোগও পাচ্ছেন ল্যাবুশেন। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাট হাতে খুব একটা ভালো সময় না গেলেও গুরুত্বপূর্ণ এই জায়গায় নিজেকে প্রমাণ করতে চান সাবেক এই এক নম্বর টেস্ট ব্যাটার। ল্যাবুশেন তিন বছরের বেশি সময় ধরে টেস্টে কোনো সেঞ্চুরি পাননি।
অবশ্য চলতি বছরের শুরুতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অ্যাশেজ সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার ৪-১ ব্যবধানের জয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল তার। এবার বাংলাদেশের বিপক্ষে ঘরের মাঠের সিরিজে বড় ইনিংস খেলার অপেক্ষায় আছেন তিনি। সিরিজ শুরুর আগে বাংলাদেশ সিরিজে ভালো করার ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী এই অজি ব্যাটার।
তিনি বলেন, 'এই দুটি টেস্ট ভালোভাবে শুরু করাটা অবশ্যই খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমার খেলার উন্নতি করা, আমার শট নির্বাচন এবং সামগ্রিক কৌশলের মতো সাধারণ বিষয়গুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় দেওয়াটা আমার জন্য খুব দরকার ছিল। যখন টানা সাত-আট বছর ধরে খেলা হয়, তখন এটাই আমার পাওয়া দীর্ঘতম বিরতি।'
তিনি আরও যোগ করেন, 'এমন অনেক সময় গেছে, যখন আমি সবকিছু গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু সেই ছোট ছোট পরিবর্তনগুলোতে পুরোপুরি মনোযোগ দেওয়ার জন্য যথেষ্ট সময় আমার হাতে ছিল না। ফিরে এসে নিজের সেরা ফর্ম খুঁজে পাওয়া এবং সেরাটা খেলতে গেলে কেমন লাগে, তা বুঝতে পারাটা সত্যিই দারুণ ছিল। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে এখানে গত কয়েক সপ্তাহের প্রস্তুতি দারুণ কাজে দিয়েছে। আশা করি, এত কঠোর পরিশ্রমের ফল আমরা দেখতে পাব।'
সাম্প্রতিক সময়ে রান করার দিকে অতিরিক্ত মনোযোগী হয়ে পড়েছিলেন বলেও স্বীকার করেছেন ল্যাবুশেন। এখন নিজের ব্যাটিংয়ের ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে চান তিনি। তার বিশ্বাস, প্রস্তুতির ওপর আস্থা রাখলে বড় রান এমনিতেই আসবে। ব্যাট হাতে ব্যর্থতা তাকে ভিন্ন একটি পথও দেখিয়েছে বলে বিশ্বাস এই অজি ব্যাটারের।
ল্যাবুশেন বলেন, 'আমি যদি আমার খেলার ওপর আস্থা রাখতে পারি, তাহলে এই যাত্রা যত এগোবে, রানও আসবে। আমার মনে হয়, আমি যে সময়টা খুব ভালো কাটিয়েছি, সেই সময়ে এটাই খুব ভালোভাবে করেছিলাম। আমার খেলার ওপর আস্থা রেখেছিলাম, যেভাবে ব্যাটিং করছিলাম, তার ওপর আস্থা রেখেছিলাম, খেলাটা বোঝার চেষ্টা করেছিলাম এবং সেই মুহূর্তে আমার কাছ থেকে দলের কী প্রয়োজন, তা বুঝেছিলাম। আমি সেটারই অপেক্ষায় আছি।'