বাংলাদেশ সিরিজে স্মিথের সামর্থ্যের ওপরই বড় ভরসা অজিদের

অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ সিরিজ
স্টিভেন স্মিথ, ফাইল ফটো
স্টিভেন স্মিথ, ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
বিরাট কোহলি ও কেন উইলিয়ামসন টেস্ট ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। ফ্যাব ফোরের বাকি দুই সদস্যের মধ্যে জো রুট এখনও ইংল্যান্ডের অন্যতম ভরসা। আর অস্ট্রেলিয়ার জন্য স্টিভ স্মিথের গুরুত্বও কমেনি একটুও। বাংলাদেশ সফর দিয়ে শুরু হতে যাওয়া অজিদের কঠিন টেস্ট সূচির আগে স্মিথকে নিয়ে দারুণ আশাবাদী অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি। টাইগারদের বিপক্ষেও অজি ব্যাটারদের কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে বলে ধারণা বেইলির। ডেভিড ওয়ার্নার-উসমান খাওয়াজাদের অবসরের পর সেই পরীক্ষায় স্মিথের অভিজ্ঞার ওপর বিশ্বাস রাখছে অজিরা।

বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৩ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া টেস্ট সিরিজ দিয়েই শুরু হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার ব্যস্ত সময়। পরবর্তী এক বছরে অন্তত ২০টি টেস্ট খেলবে দলটি। এই সময়ে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, ভারত ও ইংল্যান্ড সফরের মতো বড় চ্যালেঞ্জও অপেক্ষা করছে তাদের সামনে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক সময়ই সিরিজভিত্তিক সিদ্ধান্তের কথা বলেছেন স্মিথ। তবে বেইলির মতে, এখনকার স্মিথকে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি উজ্জীবিত দেখাচ্ছে।

বেইলি বলেন, ‘গত কয়েক মাসে ওর সঙ্গে যত কথা হয়েছে, তাতে মনে হয়েছে সামনে থাকা সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে এতটা রোমাঞ্চিত ও উদ্দীপ্ত আমি আগে কখনও তাকে দেখিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুধু স্টিভ নয়, দীর্ঘদিন ধরে টেস্ট খেলা আরও কয়েকজন ক্রিকেটারও ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে সামনে থাকা সিরিজগুলো নিয়ে ভীষণ মনোযোগী। তবে স্টিভকে যতটা উজ্জীবিত দেখছি, তা সত্যিই আমাকে উৎসাহিত করছে। সামনে কী আছে, তা নিয়ে সে অনেক ভাবছে এবং প্রস্তুতি নিচ্ছে।’

বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজকে হালকাভাবে নিচ্ছে না অস্ট্রেলিয়া। তবে এরপরই তাদের অপেক্ষায় রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর। এরপর নিউজিল্যান্ড সফর এবং আগামী বছরের শুরুতে ভারত সফরও রয়েছে। পরে ইংল্যান্ড সফরও অস্ট্রেলিয়ার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

তিনি বলেন, ‘আমি পুরোপুরি আশা করি, সামনে আমাদের পরিকল্পনায় সে বড় ভূমিকা রাখবে। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ অপেক্ষা করছে। ভিন্ন ভিন্ন কন্ডিশনে নিজেদের প্রমাণ করার দারুণ সুযোগ এটি। আমার মনে হয়, এটি সবার জন্যই রোমাঞ্চকর, বিশেষ করে স্টিভের জন্য।’

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপেও এখনও কিছু জায়গা নিয়ে দোলাচলে আছে টিম ম্যানেজমেন্ট। ওপেনিংয়ে ট্রাভিস হেড খেললেও তাঁর সঙ্গী কে হবেন, তা পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। তিন নম্বরে মার্নাস লাবুশেন নিজের পুরোনো ধারায় ফিরতে চেষ্টা করছেন। আর উসমান খাজার অবসরের পর পাঁচ নম্বর জায়গাটিও এখনও স্থায়ীভাবে কারও দখলে যায়নি। ক্যামেরন গ্রিনকে সেখানে এগিয়ে রাখা হলেও অ্যালেক্স ক্যারিও পদোন্নতির আশা ছাড়ছেন না।

বেইলি বলেন, ‘সবাই বয়স নিয়েই বেশি কথা বলে। কিন্তু এই ক্রিকেটাররা এখনও প্রতিদিন নতুন কিছু শিখতে চায়, নিজেদের আরও উন্নত করতে চায় এবং কঠিন কন্ডিশনে কীভাবে আরও ভালো করা যায়, তা নিয়ে সব সময় ভাবছে। সব মিলিয়ে সামনে আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। তবে একই সঙ্গে এটি হতে যাচ্ছে দারুণ রোমাঞ্চকর একটি সময়।’

আরো পড়ুন: