আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ২০১৯-২১ চক্রে ১২ ম্যাচের মাত্র চারটিতে জিতে পয়েন্ট টেবিলের পাঁচে শেষ করেছিল পাকিস্তান। পরের আসরে আরও অবনতি হয় তাদের। ২০২১-২৩ চক্রে ১৪ ম্যাচ খেলা পাকিস্তান জয় পেয়েছিল চারটি ম্যাচে। সেবার পয়েন্ট টেবিলের সাতে ছিলেন বাবররা। ২০২৩-২৩ চক্রে পাকিস্তানের অবস্থান ছিল পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে।
১৪ ম্যাচের পাঁচটিতে জয় পেলেও নয় নম্বরে থাকতে হয়েছে তাদের। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ২০২৫-২৭ চক্রে এখনো পর্যন্ত দুই ম্যাচ খেলে একটিতে জয় পেয়েছে তারা। পয়েন্ট টেবিলে তাদের অবস্থান পাঁচে। এতো নিচে অবস্থান করা মোটেও ভালো লক্ষণ নয় বলে জানিয়েছেন শাহীন আফ্রিদি। বাঁহাতি পেসার মনে করেন, কোনো দল টেস্ট ক্রিকেটে ভালো করতে পারলে ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টিতেও তাদের পারফরম্যান্স ভালো হবে।
শাহীন আফ্রিদি বলেন, ‘আপনি যদি র্যাঙ্কিংয়ের কথা বলেন তাহলে একজন খেলোয়াড় কিংবা দল হিসেবে আমরা মোটেও সন্তুষ্ট নই। এটা সবাই জানে। কারণ আমরা ৬, ৭ বা ৮ নম্বরে থেকে শেষ করছি, যা মোটেও ভালো লক্ষণ নয়। যদিও আমরা শেষ সিরিজ ভালো খেলেছি, তবে আমাদের উচিত ছিল ২-০ ব্যবধানে জেতা। আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত শীর্ষে থেকে শেষ করা। আপনি যদি টেস্ট ক্রিকেটে ভালো করেন তাহলে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটও ভালো হবে। এজন্য আমাদের মূল ফোকাস ও ফিটনেস সেদিকেই রাখা উচিত।’
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ২০২৫-২৭ আসরে পয়েন্ট টেবিলের পাঁচে রয়েছে পাকিস্তান। আফ্রিদি-বাবরদের পরবর্তী দুই সিরিজ বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। মিরপুর ও সিলেটে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলবে তারা। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলতে এখনো লম্বা সময় পাড়ি দিতে হবে আফ্রিদিদের। বাংলাদেশকে হারিয়ে পয়েন্ট পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ তাদের জন্য। বাঁহাতি পেসার যদিও জানিয়েছেন, তাদের লক্ষ্য কেবল বাংলাদেশ সিরিজ নয়।
শাহীন আফ্রিদি বলেন, ‘যেকোনো দলই তাদের ঘরের মাঠে শক্ত প্রতিপক্ষ। আমাদের জন্য আসল ব্যাপার হলো কীভাবে প্রস্তুত হচ্ছি। আমরা পুরো টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দিকেই তাকাচ্ছি, শুধু এই সিরিজ নয়। আমাদের লক্ষ্য, কীভাবে ফাইনালে যেতে পারি। দল হিসেবে আমরা এটা বুঝতে পারছি যে এই সংস্করণে সেরা ক্রিকেটটাই খেলতে হবে।’