‘ক্রিকেটের সঙ্গে রাজনীতি মেশানো উচিত নয়’, বাংলাদেশ ইস্যুতে রশিদ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
রশিদ খান
রশিদ খান
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না বাংলাদেশের। এর ফলে আইসিসি বিশ্বকাপে প্রায় ২০ কোটি দর্শক হারাতে যাচ্ছে নিশ্চিতভাবেই। উপমহাদেশের প্রায় সব মানুষ ক্রিকেটপ্রেমী। মাঠে গিয়ে দলকে সমর্থন দিতেও উপমহাদেশের মানুষের জুড়ি মেলা ভার। ফলে বাংলাদেশ না থাকায় নিশ্চিতভাবেই বিশ্বকাপ অনেকটাই রঙ হারাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞতা।

সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম স্পোর্টস তাকের সঙ্গে ভিডিওতে এক সাক্ষাৎকার দিয়েছেন আফগানিস্তান দলের তারকা স্পিনার রশিদ খান। অনেকের মতো তিনিও মনে করেন ক্রিকেটের সঙ্গে রাজনীতি মেশানো উচিত হয়। সরাসরি বাংলাদেশ নিয়ে কোনো কথা না বললেও রশিদ জানিয়েছেন যারা বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রণে আছেন তারা এই বিষয়টি নিয়ে ভাববেন।

এ প্রসঙ্গে রশিদ বলেন, 'আমার হিসেবে তো এটা হওয়াই উচিত খেলাধুলা নিয়ে… আমার মনে হয় বেশিরভাগ সময় মানুষ বলে যে খেলাধুলা আর রাজনীতিকে একসঙ্গে মেশানো উচিত নয়। সুতরাং যদি তা না করার কথা হয়, তাহলে সত্যিই করা উচিত নয়। আমার মনে হয়… এই বিষয়ে কী বলব, আমি নিজেও জানি না। ইচ্ছে হয়, আমার কাছে বলার মতো কিছু শব্দ থাকলে ভালো হতো। কিন্তু এখানে অনেক বড় বড় মানুষ আছেন, যারা এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন এবং নিজেদের ভাবনা শেয়ার করবেন।'

রশিদের মতে ক্রিকেট সবগুলো দেশকে একই সুতোতে বাধে। আর এটাকেই খেলাধুলার সৌন্দর্য বলে মন্তব্য করেছেন আফগানিস্তানের এই অধিনায়ক। তিনি যোগ করেন, 'আমার ক্ষেত্রে বিষয়টা এমন যে—এটা আমার দেশ নয়। যদি এটা আমার দেশ হতো, তাহলে হয়তো আমি এ ধরনের কিছু বলতাম। কিন্তু খেলাধুলা এমন একটি বিষয়, যেটা নিয়ে আমরা সবসময় বলি—এটা একতা আনে, দেশগুলোকে এক সুতোয় বাঁধে। এটাই খেলাধুলার সৌন্দর্য।'

এক সময়ের যুদ্ধ বিধ্বস্ত আফগানিস্তান নিজেদের ক্রিকেটের মাধ্যমে নতুন করে বিশ্ব দরবারে পরিচয় পেয়েছে। রশিদ ছাড়াও মোহাম্মদ নবি, রহমানউল্লাহ গুরবাজ, মুজিব উর রহমানের মতো বিশ্বমানের ক্রিকেটার উঠে এসেছে আফগানিস্তানের ক্রিকেট থেকে। আফগানিস্তানের নতুন এই পরিচিতির পেছনে ক্রিকেটের অনেক অবদান দেখছেন তিনি।

রশিদ যোগ করেন, 'আফগানিস্তানের জন্য খেলাধুলা যা করেছে, আমার মনে হয় অন্য কিছু তা করতে পারতো না। সারা বিশ্বে এখন আমাদের দেশের যে পরিচয় তৈরি হয়েছে, খেলাধুলা সেটাকে একেবারে আলাদা জায়গায় নিয়ে গেছে। বিশ্বের যেখানেই যান না কেন, কেউ যখন আফগানিস্তানের নাম নেয়, তখন তারা ক্রিকেটের কথা বলে, ক্রিকেটারদের নাম নেয়।'

আরো পড়ুন: