যদিও পাকিস্তান হয়তো সেই পথে হাঁটছে না। টেলিকম এশিয়া স্পোর্টসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান দলকে ইতিমধ্যে বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে এবং কলম্বো যাওয়ার ফ্লাইটও বুক করা হয়েছে। এমনকি সালমান আলী আঘার নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান দল অস্ট্রেলিয়া দলের সঙ্গেই কলম্বো যাবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
এর আগে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভি জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের সমর্থনে তারা বিশ্বকাপ বয়কটের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারত থেকে ভেন্যু পরিবর্তন করে কলম্বোতে ম্যাচ আয়োজনের যে অনুরোধ করেছিল বাংলাদেশ। যদিও আইসিসি বাংলাদেশের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে।
এদিকে পাকিস্তান বিশ্বকাপে খেলতে গেলেও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি বয়কট করতে পারে বলে জোর গুঞ্জন আছে। পাকিস্তান দল তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হচ্ছে। টিম ম্যানেজমেন্টকে পুরো বিশ্বকাপ মাথায় রেখে প্রস্তুতি চালিয়ে যেতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
বিশ্বকাপ বয়কট করলে পাকিস্তান বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা, আইসিসির টুর্নামেন্ট আয়োজনের অধিকার হারানো এবং পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বিদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণে জটিলতা। বিশেষ করে বিদেশি খেলোয়াড়দের জন্য এনওসি (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট) না পাওয়ার ঝুঁকিকে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা।
আইসিসির সম্ভাব্য পদক্ষেপগুলোর মধ্যে আরও আছে—পার্টিসিপেশন ফি হারানো, টুর্নামেন্ট অংশগ্রহণ চুক্তি লঙ্ঘনের দায়ে বার্ষিক রাজস্ব বণ্টন বন্ধ হয়ে যাওয়া, দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট থেকে সাসপেনশন, এশিয়া কাপ থেকে বাদ পড়ার আশঙ্কা এবং ২০২৮ নারী টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের হোস্টিং রাইটস হারানো। এমন পরিণতির কথা ভেবেই বিশ্বকাপের বয়কটের চিন্তা থেকে সরে দাঁড়াতে পারে পাকিস্তান।