হোবার্টে রিশাদের বদলি ওয়াকার সালামখিল
বাংলাদেশের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর এবং বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ব্যস্ততায় রিশাদ হোসেনের বিগ ব্যাশে খেলা হবে কিনা সেই অনিশ্চয়তা ছিল আগে থেকেই। শেষ পর্যন্ত সেই অনিশ্চয়তাই সত্যি হয়েছে।
বাংলাদেশের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর এবং বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ব্যস্ততায় রিশাদ হোসেনের বিগ ব্যাশে খেলা হবে কিনা সেই অনিশ্চয়তা ছিল আগে থেকেই। শেষ পর্যন্ত সেই অনিশ্চয়তাই সত্যি হয়েছে।
সত্তর কিংবা আশির দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বলা হতো ক্রিকেটের সর্বজয়ী। ক্যারিবীয় ক্রিকেটের স্মৃতির পাতায় রঙিন খামে মোড়ানো আছে ক্লাইভ লয়েড, ভিভ রিচার্ডস, ম্যালকম মার্শাল, অ্যান্ডি রবার্টসদের নাম। আশির দশকে টেস্ট ক্রিকেটে টানা ২৭ ম্যাচ অপরাজিত ছিল লয়েডের ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সোনালি সময় পেরিয়ে খানিকটা হোঁচট খাওয়ার পর টি-টোয়েন্টির কল্যাণে আবারও ঘুরে দাঁড়ায় তারা।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজসেরা হয়ে বছর শেষ করেছিলেন শরিফুল ইসলাম। গোছানো বোলিংয়ে ২০২৩ সালটা স্বপ্নের মতো কাটিয়েছেন বাঁহাতি এই পেসার। আগের বছরের আত্মবিশ্বাসের দেখা মিলেছে এবারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগেও (বিপিএল)। নতুন বলে সুইং আর স্লোয়ারে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের বোকা বানিয়েছেন শরিফুল। দুর্দান্ত ঢাকার হয়ে ১২ ম্যাচ খেলে নিয়েছেন ২২ উইকেট। এখন পর্যন্ত এবারের বিপিএলের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি তিনিই।
শ্রীলঙ্কায় টেস্ট না খেলে আইপিএলে খেলবেন সাকিব আল হাসান। ঘটনাটা ২০২১ সালের, প্রায় দুবছর পেরিয়ে গেলেও এখনও নিশ্চিতভাবেই মনে রয়েছে সবার। এমন খবরের শিরোনামে সেদিন বিস্মিত হয়েছিলেন দেশের বেশিরভাগ সমর্থক। দেশের খেলা বাদ দিয়ে কেন আইপিএল খেলতে চান সাকিব। এমন প্রশ্নের উত্তর পেতে ক্রিকফ্রেঞ্জি হেঁটেছে অনেকটা পথ। বেশ কয়েকদিনের চেষ্টায় অবশেষে সোনার ডিম পাড়া হাঁস নয় সাকিবকে পেয়েছিল তারা।
এইতো কদিন আগের কথা, আল–ইত্তিহাদের মাঠে খেলতে গিয়েছিল আল-নাসের। টানেল দিয়ে মাঠে খেলতে নামার সময় হঠাৎ করেই ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে উদ্দেশ্য করে দুয়ো দিতে থাকেন আল–ইত্তিহাদের সমর্থকেরা। সময়ের অন্যতম সেরা তারকাকে রাগাতে টেনে এনেছেন তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির নামও। এটা সৌদি আরবের প্রো লিগের ঘটনা। তবে যারা ইউরোপিয়ান ফুটবলের খোঁজ-খবর রাখেন, ৯০ মিনিটের ফুটবলের শৈল্পিকতা দেখতে রাত জেগে থাকেন তারা এসব ঘটনার সঙ্??ে বেশ পরিচিত।
কাউন্ট অব মান্টে ক্রিস্টো, বলা হয়ে থাকে ক্লাসিক এক উপন্যাস। আলেকজান্দ্রে ডুমাসের লেখা সেই উপন্যাসে বিনা অপরাধে কারাগারে যেতে হয়েছিল এডমন্ডকে। বিনা অপরাধে কারাবন্দি হওয়া এডমন্ড পালানোর উপায় খুঁজতে গিয়ে দিনের পর পর, মাসের পর মাস আর বছরের পর বছর সুড়ঙ্গ তৈরির চেষ্টা করেছিলেন। তবে নিজে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেননি এডমন্ড। তাতে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তখনই ফরাসি পাদ্রী ফারিয়ার সঙ্গে পরিচয় হয় এডমন্ডের।
সাফল্য যেন প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা রাতের শেষ রেলগাড়িটা। যার জন্য সবাই ছুটে বেড়ায়। কেউ ধরতে পারে আবারও কেউ হয়তো প্লাটফর্মের কোনো এক বেঞ্চে বসে আফসোসে পুড়ে। হেলায়-খেলায় বসে থেকে কখনও সাফল্য নামক সোনার হরিণের দেখা মেলে না। সাফল্য পেতে ধৈর্য, দুঃখ-কষ্টের দুঃসহ স্মৃতি, ত্যাগ-তিতিক্ষা এসবের সঙ্গে লড়াই করতে হয়। যেটা করেছেন ভারতের চেতন সাকারিয়া।