লর্ডসে ৩৮৮ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৭ রানে হারে ভারত। স্কোরলাইন ব্যবধান কম দেখালেও শেষ ১০ ওভারে ইংল্যান্ডের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে বড় ব্যবধানই পুষিয়ে উঠতে পারেনি সফরকারীরা।
ম্যাচে রাহুলকে ছয় নম্বরে নামানোর সিদ্ধান্তে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন শ্রীকান্ত। ওপেনার শুভমান গিল ও রোহিত শর্মা যথাক্রমে ফিফটি ও সেঞ্চুরি করে ভারতের রান তাড়ার ভিত্তি গড়ে দেন। তিন নম্বরে খেলেন বিরাট কোহলি। এরপর চার ও পাঁচ নম্বরে নামানো হয় ইশান কিষান ও শ্রেয়াস আইয়ারকে। রাহুল ব্যাট করতে নামেন তাদের পর।
শ্রীকান্তের মতে, এটি রাহুলের প্রতি বড় অবিচার। একই সঙ্গে তিনি সাম্প্রতিক টি-টোয়েন্টি সিরিজে সঞ্জু স্যামসন ও বৈভব সূর্যবংশীর ব্যাটিং অবস্থান বদলানোর ঘটনাও টেনে আনেন।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে শ্রীকান্ত বলেন, ‘৩৮৮ রান তাড়া করতে গিয়ে কেউ কেএল রাহুলকে ছয় নম্বরে পাঠায়? এই ছেলেটাই তো কঠিন রান তাড়ায় আপনাকে কত ম্যাচ জিতিয়েছে। সঞ্জু স্যামসন আর বৈভব সূর্যবংশীর সঙ্গে যা করেছেন, এখন একই কাজ রাহুলের সঙ্গেও করছেন। রাহুল কি ছয় বা সাত নম্বরের ব্যাটার? এটা তার প্রতি চরম অবিচার। গতকাল তার শরীরী ভাষাও খুব অস্বস্তিকর লাগছিল।’
চার নম্বরে নামা ইশান কিশান ১৪ রান করে আউট হন। আর শ্রেয়াস আইয়ার কোনো রান না করেই ফিরে যান। রান তাড়ার চাপ বাড়তে থাকলে পরে ব্যাট করতে নেমে জফরা আর্চারের বলে মাত্র ৮ বলে ১২ রান করে আউট হন রাহুল।
শ্রীকান্তের মতে, এই ম্যাচে ভারতের প্রয়োজন ছিল ইংল্যান্ডের জস বাটলারের মতো একজন ব্যাটার, যিনি ইনিংস ধরে রেখে পরে গতি বাড়াতে পারেন।
তিনি বলেন, ‘ভারতের দরকার ছিল এমন একজন, যে বাটলারের মতো ভূমিকা পালন করবে। ইশান ও শ্রেয়াস দ্রুত আউট হয়ে যাওয়ায় সেই সুযোগ নষ্ট হয়েছে। রাহুল যদি চার নম্বরে নামত, তাহলে ২০২৩ বিশ্বকাপের মতো বিরাট কোহলির সঙ্গে দারুণ জুটি গড়তে পারত। সে সহজেই ইনিংসের গতি বাড়াতে পারে। কিন্তু তাকে তখন পাঠানো হলো, যখন ম্যাচ প্রায় শেষ। প্রতি ওভারে ১৫ রান প্রয়োজন, অক্ষর প্যাটেলকে সঙ্গে নিয়ে সে কীভাবে ম্যাচ জেতাবে?’