দলের জন্য না খেলে নিজের জন্য খেলেন, বাবরকে নিয়ে এমন সমালোচনা ছিল অনেক আগে থেকেই। এ ছাড়া ডানহাতি ব্যাটারের স্ট্রাইক রেট নিয়েও ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে। একটা সময় তো জাতীয় দলের বাইরেও ছিলেন তিনি। তবে কয়েক মাসের বিরতির পর আবারও পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলে ফেরানো হয় বাবরকে। জাতীয় দলে ফিরলেও প্রত্যাশিত মেটাতে পারছিলেন না।
সবশেষ ভারত ম্যাচেও পাকিস্তানকে হতাশ করেছেন বাবর। অক্ষর প্যাটেলের বলে স্লগ শট খেলার চেষ্টায় বোল্ড হয়েছিলেন তিনি। ৭ বলে মাত্র ৫ রান করেছেন ডানহাতি এই ব্যাটার। বোলিংয়ে ভারতের ব্যাটারদের চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেননি শাহীন আফ্রিদি। দুই ওভার বোলিং করে দিয়েছেন ৩১ রান। সেই ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে দাঁড়াতেই পারেনি পাকিস্তান। রীতিমতো উড়ে গেছেন মাইক হেসনের শিষ্যরা।
এমন পারফরম্যান্সের পর নামিবিয়ার বিপক্ষে বাদ পড়তে যাচ্ছেন বাবর ও শাহীন আফ্রিদি। সূত্রের বরাত দিয়ে এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জিও সুপার। আফ্রিদির জায়গায় একাদশে সুযোগ মিলতে পারে পেসার সালমান মির্জা। বাবরের বদলি হিসেবে দেখা যেতে পারে ফখর জামান কিংবা খাওয়াজা নাফের কাউকে। এখনো পর্যন্ত ৩ ম্যাচের দুইটিতে জয় পেয়েছে পাকিস্তান।
এদিকে ভারত ম্যাচের পর শহীদ আফ্রিদি বলেছিলেন, ‘আমাকে যদি এখানে সিদ্ধান্ত নিতে হয়, তবে আমি বলব বাবর, শাহিন ও শাদাবকে বাদ দাও। নামিবিয়ার বিপক্ষে নতুন খেলোয়াড়দের সুযোগ দাও এবং তাদের আত্মবিশ্বাস তৈরি করো। আমরা অনেক দিন ধরেই দেখছি যে সিনিয়র খেলোয়াড়েরা ভালো দলগুলোর বিপক্ষে ভালো পারফর্ম করতে পারছে না। আর তারা যদি না পারে, তবে অন্যদের সুযোগ দাও।’
এ ছাড়া মোহাম্মদ ইউসুফ এক্স অ্যাকাউন্টে লিখেছিলেন, ‘পাকিস্তানের টি-টুয়েন্টি স্কোয়াডে নতুন মুখদের সুযোগ দেওয়ার সময় এসেছে উল্লেখ করে তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘শাহিন, বাবর ও শাদাবের সময় শেষ। পাকিস্তানের টি-টুয়েন্টি স্কোয়াডে নতুন পারফরমার দরকার, দুর্বল দলগুলোর বিপক্ষে নামমাত্র জয় নয়।’