মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রান তাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি ‘বি’ দলের। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে ফেরেন সৌম্য সরকার। প্রথম ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তোলা সৌম্য ১৮ বলে ১৭ রান করে আউট হয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমানের বলে। দ্বিতীয় উইকেটে জুটি গড়ে তুলে ‘বি’ দলকে এগিয়ে নেন নাইম ও মোসাদ্দেক। তারা দুজনে মিলে ৬৭ রান যোগ করেন। ব্যাট হাতে রীতিমতো ঝড় তোলেন মোসাদ্দেক।
যদিও হাফ সেঞ্চুরি পাওয়া হয়নি ডানহাতি ব্যাটারের। মুস্তাফিজের বলে বোল্ড হওয়া মোসাদ্দেক ২২ বলে ৪৬ রানের ইনিংস খেলেছেন। পরের ওভারে ফিরেছেন নাইমও। মোসাদ্দেকের মতো তিনিও হাফ সেঞ্চুরি করতে পারেননি। ৩৬ বলে ৪০ রানের ইনিংস খেলা নাইমকে ফেরান মুস্তাফিজ। পরবর্তীতে নুরুল হাসান সোহান ২০ বলে ২৯ রান করলেও দলকে জেতাতে পারেননি। ৭ উইকেটে ১৫৫ রান করে থামতে হয়ে তাদের। ‘এ’ দলের মুস্তাফিজ একাই তিনটি উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো শুরুর আভাস দিয়েছিলেন তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ। তবে তাদের দুজনের জুটি খুব বেশি বড় হয়নি। দ্রুত রান তোলার চেষ্টায় ইনিংসের চতুর্থ ওভারে ফেরেন তানজিদ। ১৪ বলে ২৪ রানের ইনিংস খেলে ইকবাল হোসেন ইমনের বলে ফিরেছেন বাঁহাতি ওপেনার। তিনে নেমে সুবিধা করতে পারেননি লিটন। নাসুম আহমেদের বলে রিপন মণ্ডলের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন ‘এ’ দলের অধিনায়ক।
তিন বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি লিটন। তাওহীদ হৃদয়ও প্রত্যাশিতভাবে রানের দেখা পাননি। ১৪ বলে ১৩ রান করে আউট হয়েছেন সামিউন বশির রাতুলের বলে। বাঁহাতি স্পিনারের বলে তারই হাতে ক্যাচ দিয়েছেন হৃদয়। চারে নেমে দেখেশুনে খেলতে থাকেন পারভেজ হোসেন ইমন। বাকিদের ব্যর্থতার মাঝে দারুণ ব্যাটিংয়ে হাফ সেঞ্চুরি করেন সাইফ। যদিও পঞ্চাশ ছোঁয়ার পর রিটায়ার্ট আউট হয়েছেন ডানহাতি ওপেনার।
ড্রেসিং রুমে ফেরার আগে ২ চার ও ছয় ছক্কায় ৫২ বলে ৭৭ রানের ইনিংস খেলেছেন সাইফ। পরবর্তীতে ২৩ বলে ২৪ রান করে আউট হয়েছেন পারভেজ ইমন। এ ছাড়া ইয়াসির আলী রাব্বি ১০ ও শেখ মেহেদী ১০ রান করেছেন। শেষ পর্যন্ত সাইফের হাফ সেঞ্চুরিতে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬৬ রানের পুঁজি পায় লিটনের ‘এ’ দল। এদিকে ‘বি’ দলের হয়ে রিপন দুইটি উইকেট নিয়েছেন। একটি করে উইকেট পেয়েছেন নাসুম, রাতুল ও ইকবাল।