দ্বিতীয় দিনে পাঁচ উইকেটে ৫১৯ রান নিয়ে ইনিংস ঘোষণা করে সাউথ আফ্রিকা ইমার্জিং দল। আগের দিনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে আরও ১০৯ রান যোগ করেন ফন বুরেন ও সেলেটসওয়েনে। ১৭১ রানে আশরাফুল হাসান রোহানের বলে বুরেন আউট হলে ভাঙে তাদের ২৫৫ রানের জুটি। ২৩৫ বলের ইনিংসে তিনি ১৪টি চার মারেন।
পঞ্চম উইকেটে সেলেটসওয়েনের সঙ্গে ৪৮ রান যোগ করেন আন্দিলে সিমিলেন। ১৬ রানে ইকবাল হোসেন ইমনের বলে আউট হন তিনি। এরপর আর কোনো উইকেট নিতে পারেনি বাংলাদেশ। সেলেটসওয়েন দেড়শ রান পূর্ণ করার পর ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিক দল। বাংলাদেশের হয়ে ইকবাল ৭৬ রান খরচায় তিনটি উইকেট নেন।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ৬৯ রানেই হারায় তিন উইকেট। উদ্বোধনী ব্যাটার শাহাদাত হোসেন দিপু ২৩ এবং জাকির হাসান ২৯ রান করেন। তিন নম্বরে নামা মাহফিজুল ইসলাম রবিন ফেরেন ৯ রানে। তিনজনকেই সাজঘরে ফেরান ইয়ানকো স্মিট।
এরপর চতুর্থ উইকেটে প্রতিরোধ গড়েন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ও ইফতেখার হোসেন ইফতি। দিনের শেষ পর্যন্ত অবিচ্ছিন্ন থেকে দুজন যোগ করেছেন ৮২ রান। অঙ্কন ৪৩ এবং ইফতেখার ৩৬ রানে অপরাজিত আছেন। তাদের ব্যাটেই আপাতত কিছুটা স্বস্তি নিয়ে দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ।
তবে ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে হলে তৃতীয় দিনে দ্রুত রান করে ঘাটতি কমানোর পাশাপাশি উইকেট ধরে রাখতে হবে বাংলাদেশকে। অন্যদিকে প্রথম ইনিংসে বিশাল সংগ্রহ গড়া সাউথ আফ্রিকা ইমার্জিং দল এখন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখেছে।