বাংলাদেশের দেয়া বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় মালয়েশিয়া। ইনিংসের প্রথম বলেই শূন্য রানে ওপেনার সাইফউল্লাহ মালিককে ফেরান রাহিন আহমেদ। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে সফরকারীরা। ৩৭ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় তার।
কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা চালান মালয় অধিনায়ক সৈয়দ আজিজ। ১৫ বলে ২০ রান করা আজিজকে ফেরান বাঁহাতি চায়নাম্যান স্পিনার নুহায়েল সানদীদ। অধিনায়ক ফিরে যাবার পর যাওয়ার পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে যায় মালয়দের ইনিংস। শেষ পর্যন্ত ৩১ ওভার ৪ বলে ১৩২ রানেই গুটিয়ে যায় মালয়েশিয়া। বাংলাদেশের হয়ে রাফিউজ্জামান রাফি ও শেখ পারভেজ জীবন তিনটি করে, রাহিন দুইটি এবং সানদীদ ও আহরার আমিন একটি করে উইকেট নেন।
এর আগে বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশকে ভালো সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার জাওয়াদ আবরার ও মইনুল ইসলাম তন্ময়। মাত্র ৫১ বলে ৮২ রানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটার। নবম ওভারে আবরার ৩২ বলে ৫৩ রান করে আউট হলে ভাঙে এই জুটি। আবরার আউট হবার খানিক বাদেই ফিরে যান ৩০ রান করা আরেক ওপেনার তন্ময়ও।
এরপর তৃতীয় উইকেটে ১৭৫ রানের জুটি গড়েন আদিল বিন সিদ্দিক ও খালিদ হাসান। মালয় বোলারদের অসহায় বানিয়ে সেঞ্চুরি তুলে নেন আদিল। ১১১ বলে ৪ ছক্কা ও ১৪ চারে ১৩৫ রানের ইনিংস খেলে আউট হন আদিল। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেয়া খালিদ ৮৬ বলে ৭৩ রানের ইনিংস খেলেন।
শেষ দিকে জীবনের ১৩ বলে ২৩ রানের ক্যামিওতে সাড়ে তিনশ রান পাড় করে টাইগাররা। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩৬৯ রানে শেষ হয় তাদের ইনিংস। মালয়শিয়ার অধিনায়ক আজিজ তিনটি ও আরিফউল্লাহ দুইটি উইকেট নেন।