এ বছর টেস্ট ক্রিকেটে কেবল পাকিস্তানের সাথেই সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার সেই সিরিজে বড় অবদান ছিল নাহিদের। ম্যাচের গুরুত্বপুর্ণ মূহুর্তে মোড় ঘুরিয়েছেন গতির ঝড় তুলে। কিন্তু শুধু নাহিদ নন, সেই সিরিজে বড় অবদান ছিল তাসকিন আহমেদ কিংবা দুই স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলামেরও। শান্ত তাই বিশ্বাস রাখছেন নিজের দলের ওপর।
অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করার আগে সংবাদ সম্মেলনে শান্ত বলেন,' ইনজুরির বিষয়টা আসলে আমাদের কারও নিয়ন্ত্রণে নেই। যেকোনো সময় যেকোনো খেলোয়াড় ইনজুরিতে পড়তে পারে। আমার মনে হয় আমাদের যে দলটা অস্ট্রেলিয়াতে যাচ্ছে এই দলটার উপর পুরোপুরি বিশ্বাস আছে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারব। কোন খেলোয়াড় থাকলে ভালো হতো এগুলো নিয়ে চিন্তা করা আমার মনে হয় না যৌক্তিক হবে। কত ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি এই দলটা নিয়ে, দলের উপর কতটুকু বিশ্বাস রাখতে পারি সেটা গুরুত্বপূর্ণ। সেই বিশ্বাস দলের উপর আমার আছে। '
পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠেও স্পোর্টিং উইকেটে ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। সেই উইকেটে দারুণ পারফর্ম করেছেন বোলাররা। নাহিদ-তাসকিনদের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পাশাপাশি সেই সিরিজে ইনিংসে ৫ উইকেটের দেখা পেয়েছেন তাইজুল ইসলাম-মেহেদী হাসান মিরাজ দুই স্পিনারই। অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনেও বোলারদের কাছ থেকে তেমন পারফরম্যান্সই আশা করছেন শান্ত।
শান্ত বলেন, 'আমার মনে হয় অস্ট্রেলিয়াতে সাধারণত যে ধরনের কন্ডিশন থাকে সেই কন্ডিশনে একই প্রত্যাশা আছে তারা ২০ উইকেট নিয়ে দেবে। পাশাপাশি দুজন অভিজ্ঞ স্পিনারও আছে। তারাও পেসারদের ওই সাহায্য করবে। স্কোয়াডে যে পেস বোলাররা আছে তারা সামর্থ্যবান। মুশফিক ছাড়া আমি বলব সবাই মোটামুটি অভিজ্ঞ, অনেক বছর ধরেই খেলছে। তারা যদি তাদের সেরা বোলিংটা ওইদিন করতে পারে অবশ্যই ২০ উইকেট নেওয়া সম্ভব।'
স্পিনারদের প্রসঙ্গে শান্ত বলেন, 'আমাদের দলের স্পিনাররা যেকোনো কন্ডিশনে, যেকোনো অবস্থায় ভালো করেছে। তাইজুল ভাই, মিরাজ, নাঈমের খেলার খুব বেশি সুযোগ হয় না। আমি আশাবাদী অস্ট্রেলিয়াতে যে কন্ডিশনে খেলা হবে তারা দলকে ভালোভাবে সার্ভিস দিতে পারবে।'