যুব এশিয়া কাপ জয়ী অধিনায়ক তামিমকে দলে ভেড়ালো রংপুর
আর কদিন পরই শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) মাঠের লড়াই। শেষ মুহূর্তে দল গুছিয়ে নেয়ার কাজ করছে দলগুলো। সেই ধারাবাহিকতায় এবার আজিজুল হাকিম তামিমকে দলে ভিড়িয়েছে রংপুর রাইডার্স।
আর কদিন পরই শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) মাঠের লড়াই। শেষ মুহূর্তে দল গুছিয়ে নেয়ার কাজ করছে দলগুলো। সেই ধারাবাহিকতায় এবার আজিজুল হাকিম তামিমকে দলে ভিড়িয়েছে রংপুর রাইডার্স।
আইপিএলকে ঘিরে ক্রিকেটার থেকে সমর্থক উন্মাদনার কমতি থাকে না কারও মাঝেই। মাঠের ক্রিকেটে দুনিয়ার সেরা ফ্র্যাঞ্চােইজি লিগ বলা হয়ে থাকে আইপিএলকে। তবে ক্রিকেটের বাইরেও নানা আয়োজনে সবকিছুকে ছাপিয়ে যায় তারা। আইপিএল কমিটির পাশাপাশি ফ্র্যাঞ্চাইজিরা নিজেদের কার্যক্রমে সবাইকে চমকে দিয়েছেন ক্রমশই। সমর্থকদের সঙ্গে ক্রিকেটারদের আলাপ করিয়ে দেয়া, নিজস্ব সঞ্চালক, পডকাস্টসহ নানারকম আয়োজন করে থাকেন ফ্র্যাঞ্চাইজিরা।
সত্তর কিংবা আশির দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বলা হতো ক্রিকেটের সর্বজয়ী। ক্যারিবীয় ক্রিকেটের স্মৃতির পাতায় রঙিন খামে মোড়ানো আছে ক্লাইভ লয়েড, ভিভ রিচার্ডস, ম্যালকম মার্শাল, অ্যান্ডি রবার্টসদের নাম। আশির দশকে টেস্ট ক্রিকেটে টানা ২৭ ম্যাচ অপরাজিত ছিল লয়েডের ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সোনালি সময় পেরিয়ে খানিকটা হোঁচট খাওয়ার পর টি-টোয়েন্টির কল্যাণে আবারও ঘুরে দাঁড়ায় তারা।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজসেরা হয়ে বছর শেষ করেছিলেন শরিফুল ইসলাম। গোছানো বোলিংয়ে ২০২৩ সালটা স্বপ্নের মতো কাটিয়েছেন বাঁহাতি এই পেসার। আগের বছরের আত্মবিশ্বাসের দেখা মিলেছে এবারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগেও (বিপিএল)। নতুন বলে সুইং আর স্লোয়ারে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের বোকা বানিয়েছেন শরিফুল। দুর্দান্ত ঢাকার হয়ে ১২ ম্যাচ খেলে নিয়েছেন ২২ উইকেট। এখন পর্যন্ত এবারের বিপিএলের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি তিনিই।
এইতো কদিন আগের কথা, আল–ইত্তিহাদের মাঠে খেলতে গিয়েছিল আল-নাসের। টানেল দিয়ে মাঠে খেলতে নামার সময় হঠাৎ করেই ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে উদ্দেশ্য করে দুয়ো দিতে থাকেন আল–ইত্তিহাদের সমর্থকেরা। সময়ের অন্যতম সেরা তারকাকে রাগাতে টেনে এনেছেন তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির নামও। এটা সৌদি আরবের প্রো লিগের ঘটনা। তবে যারা ইউরোপিয়ান ফুটবলের খোঁজ-খবর রাখেন, ৯০ মিনিটের ফুটবলের শৈল্পিকতা দেখতে রাত জেগে থাকেন তারা এসব ঘটনার সঙ্??ে বেশ পরিচিত।
কাউন্ট অব মান্টে ক্রিস্টো, বলা হয়ে থাকে ক্লাসিক এক উপন্যাস। আলেকজান্দ্রে ডুমাসের লেখা সেই উপন্যাসে বিনা অপরাধে কারাগারে যেতে হয়েছিল এডমন্ডকে। বিনা অপরাধে কারাবন্দি হওয়া এডমন্ড পালানোর উপায় খুঁজতে গিয়ে দিনের পর পর, মাসের পর মাস আর বছরের পর বছর সুড়ঙ্গ তৈরির চেষ্টা করেছিলেন। তবে নিজে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেননি এডমন্ড। তাতে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তখনই ফরাসি পাদ্রী ফারিয়ার সঙ্গে পরিচয় হয় এডমন্ডের।