বিপিএল নিয়ে বিসিবিকে রোহিতের পরামর্শ

ছবি: ছবিঃ সংগৃহীত

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগকে (বিপিএল) আরও জাঁকজমকপূর্ণ করে তোলার উপায় বাতলে দিয়েছেন রোহিত শর্মা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) পরামর্শও দিয়েছেন এই ওপেনার। শুক্রবার তামিম ইকবালের সঙ্গে লাইভে আলাপকালে বিপিএলের দর্শক চাহিদা বাড়াতে কি করতে হবে সেটা নিয়ে খোলামেলা আলাপ করেছেন তিনি।
বিপিএলে একটি নির্দিষ্ট ফ্রাঞ্চাইজির হয়ে অনেকবছর খেলার সুযোগ কম পান ক্রিকেটাররা। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ খুলনা টাইটান্সে ৩ আসর এবং তামিম ইকবাল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সে টানা খেলেছেন দুই আসর। কিন্তু গেল বিপিএলে আবারও দল বদলাতে হয়েছিলো তাঁদের। আইপিএলের ক্ষেত্রে গল্পটা ভিন্ন।

রোহিত শর্মা মুম্বাই ইন্ডিয়ানের হয়ে খেলছেন ২০১১ মৌসুম থেকে। আন্দ্রে রাসেল বা কাইরন পোলার্ডদের মতো মূল খেলোয়াড়দেরকেও বছরের পর বছর ধরে রাখছে তাঁদের ফ্রাঞ্চাইজিরা। রোহিত মনে করেন, এভবেই একটা দলের জন্য ভক্তদের ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়।
বিপিএলকেও আইপিএলের পথে হাঁটার জন্য বিসিবিকে পরামর্শ দিয়েছেন এই ভারতীয়। বার বার একজন খেলোয়াড় দল বদলালে ভক্তদের উৎসাহ হারিয়ে যায় বলে মনে করছেন তিনি। যেকোন খেলাতেই ভক্তদের চাহিদা অনেক বেশি তাঁর কাছে।
রোহিত বলেন, 'বাংলাদেশে ক্রিকেটের ব্যাপারে অনেক আবেগপ্রবন। এমনটা বাংলাদেশ ছাড়া আর কোথাও দেখিনি যেটা সত্যি। আমার মনে হয় এই উৎসাহটা যদি দর্শকদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়া যায়, দুই-তিনজন খেলোয়াড় যদি নির্দিষ্ট একটি ফ্রাঞ্চাইজির হয়ে খেলে কয়েকবছর তাহলে ভক্ত কূল বেজ বৃদ্ধি পাবে। দর্শকরাও একটা দলকে সেভাবেই সাপোর্ট করবে। ধরো তুমি সহ আরও কয়েকজন ঢাকার হয়ে অনেক বছর খেললে। আমার মনে হয় বিসিবির এমন কিছু করা উচিৎ।'
'দুই তিনজন মূল খেলোয়াড়কে একদলে অনেক বছর রাখা, নাহলে দর্শকদের উৎসাহ হারিয়ে যাবে। ধরো তারা তোমার জন্য একদলকে সমর্থন দিচ্ছে, এরপর শুনলো তুমি অন্য দলে চলে গেছ, তখন তাঁদের আরেক দলকে সমর্থন দিতে হচ্ছে। আমাদের মনে রাখা উচিৎ দর্শকরাই এই খেলার আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দেয়। সেটা শুধু ক্রিকেট না, যেকোনো খেলাই হতে পারে। আমাদের কাছেও ভক্তদের গুরুত্ব অনেক বেশি। তুমি তাঁদের খেয়াল না রাখলে তারাও তোমার খেয়াল করবে না।' আরও যোগ করেন এই ভারতীয়
তামিম এখন পর্যন্ত ৭ আসরে চিটাগাং কিংস, চিটাগাং ভাইকিংস, দুরন্ত রাজশাহী ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স এবং ঢাকা প্লাটুনের হয়ে খেলেছেন। একমাত্র ভিক্টোরিয়ানসের হয়েই ট্রফি জিতেছেন তিনি। সবচেয়ে বেশি কুমিল্লার হয়ে খেলেছেন দু আসর।