আবারও ব্যর্থ মুমিনুল, নাঈম-সাকিবের ব্যাটে ‘এ’ দলের ড্র

ছবি: সংগৃহীত

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের আগে নিজেদের প্রস্তুতি সারতে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে খেলার সুযোগ পেয়েছেন মুশফিকুর রহিম, মুমিনুল হকরা। পাকিস্তান শাহীনসের বিপক্ষে খেলতে নাটকীয় ধস নামে সফরকারীদের ব্যাটিং অর্ডারে। ব্যর্থতার পাল্লা আরও ভারী করেছেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার মুমিনুল ও মুশফিক। দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন মুমিনুল। বাংলাদেশের সাবেক টেস্ট অধিনায়কের ৮ রানে ফেরার দিনে ব্যাটিংয়েই নামেননি মুশফিক।
শেষ???িনে ড্র করতে নেমে জাকির হাসান অনেকটা সময় উইকেটে ছিলেন, তবে ব্যর্থ হয়েছেন এনামুল হক বিজয়, শাহাদাত হোসেন দিপুরা। ৬৯ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর নাঈম হাসানের ১১৯ বলে ৫৫ এবং তানজিম হাসান সাকিবের ১১৬ বলে ১১ রানের ইনিংসে বিপদ মুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’। শেষ পর্যন্ত তাদের দুজনের ব্যাটেই পাকিস্তান শাহীনসের বিপক্ষে প্রথম চারদিনের ম্যাচে ড্র করে সফরকারীরা।

বৃষ্টির কারণে ইসলামাবাদের ক্লাব ক্রিকেটে মাঠে তৃতীয় দিন খেলা সম্ভব হয়নি। শেষদিনেও বাগড়া দিয়েছিল বেরসিক বৃষ্টি। এমন অবস্থায় মাত্র ৩৯.২ ওভার মাঠে গড়িয়েছে। যার পুরোটা সময় ব্যাটিং করেছে বাংলাদেশ। ৪ উইকেটে ৩৬৭ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষ করা পাকিস্তান শাহীনস ইনিংস ঘোষণা করলে ব্যাটিংয়ে নামতে হয় বিজয়দের। প্রথম চারদিনের ম্যাচ ড্র করতে হলে দিনের পুরোটা সময় ব্যাটিং করতে হতো সফরকারীদের।
ভেজা আউটফিল্ড ও বৃষ্টির কারণে অবশ্য দিনের অর্ধেক সময়ই ড্রেসিং রুমে বসে কাটাতে হয়েছে ক্রিকেটারদের। সেটা অবশ্য বাংলাদেশের জন্য অনেকটা স্বস্তিও বয়ে এনেছে। ড্র করার লক্ষ্য নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই বিজয়ের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মীর হামজার বলে লেগ বিফোর উইকেট হয়ে ফিরেছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। প্রথম ইনিংসে তিনে নেমে ৭ রান করা বিজয় এবার ওপেনিংয়ে করেছেন ৪ রান।
প্রথম ইনিংসে ৬৫ রান করা মাহমুদুল হাসান জয় ব্যাটিংয়ে না আসার কারণেই বিজয়কে ওপেন করতে হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে জয় ব্যাটিংয়ে আসেননি তা জানা যায়নি। এদিকে তিনে নেমে আবারও ব্যর্থ হয়েছেন মুমিনুল। বাংলাদেশের সাবেক টেস্ট অধিনায়ককে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে ফেলেছেন মুহাম্মদ আলী। বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তরুণ দিপুও। মোহাম্মদ রমিজ জুনিয়রের বলে বোল্ড হয়েছেন ১৪ রান করা এই ব্যাটার।
একপ্রান্ত আগলে রাখলেও শেষ পর্যন্ত ৩৩ রানে সাজঘরের পথে হাঁটতে হয়েছে জাকিরকে। ৬৯ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর ৮৪ রানের জুটি গড়ে তোলেন নাঈম ও তানজিম সাকিব। জুটি গড়ার পথে হাফ সেঞ্চুরিও তুলে নেন নাঈম। তবে ৫৫ রান করা এই ব্যাটারকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন হামজা। বাঁহাতি পেসারের বলে কামরান গুলামের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন। এরপর রেজাউর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে দিনশেষ করেছেন তানজিম সাকিব। ডানহাতি এই ব্যাটার অপরাজিত ছিলেন ১১৬ বলে ১১ রানের ইনিংস খেলে।