মুস্তাফিজ-তাসকিনদের তুলে আনার গল্প জানালেন সুজন

ছবি: ছবিঃ সংগৃহীত

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
বাংলাদেশের অনেক ক্রিকেটারকে তুলে আনার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান আছে খালেদ মাহমুদ সুজনের। বর্তমান সময়ের অনেক ক্রিকেটারই নিজেদের দুঃসময়ে সুজনকে পাশে পেয়েছেন। সম্প্রতি তামিম ইকবালের সঙ্গে ফেলবুকে লাইভ আড্ডায় মুস্তাফিজুর রহমান এবং তাসকিন আহমেদকে তুলে আনার গল্প শুনিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের এই পরিচালক।
সুজন জানিয়েছেন, তিনি যখন প্রথম গেভ ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান হন তখন অনূর্ধ্ব-১৯ দলের খেলা দেখতে শারজাহ-দুবাই গিয়েছিলেন। তখনই মুস্তাফিজকে তাঁর চোখে পড়ে। এর আগে অনুশীলনে দেখলেও একটি ম্যাচে মুস্তাফিজ নজর কাড়েন সুজনের। এরপর ঢাকায় এসে বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি। সেই সময় তৎকালীন কোচ চান্ডিকা হাথুরু একজন পেসার খুঁজছিলেন। তখন তাঁকে মুস্তাফিজের সন্ধান দেন সুজন।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'চান্ডিকা একদিন আমাকে জিজ্ঞেস করে বাঁহাতি পেসার আছে কিনা? আমি বললাম দুইজন আছে, আবু হায়দার রনি এবং মুস্তাফিজ। তখন রনির কথা বলি, যে ও মূলত সুইং বোলার। মুস্তাফিজ জোরে বল করে, সুইং আছে আর কাটার ছাড়ে। কিন্তু খুবই কার্যকারী। তখন চন্ডিকা ওকে দেখ চায়। মুস্তাফিজকে কল দিয়ে বলি সাতক্ষীরা থেকে ঢাকায় আয় তারাতারি। আসার পর নেটে বোলিং করে। এরপর চন্ডিকা আমার কাছে এসে বলে ও পাকিস্তানের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি খেলতেছে। আমি বললাম তুমি নিশ্চিত? ও বলে আমি নিশ্চিত।'
সেই সিরিজেই পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয়ে যায় মুস্তাফিজের। অভিষেক ম্যাচে ৪ ওভার বোলিং করে ২০ রান দেন বাঁহাতি এই পেসার।সেই সঙ্গে শিকার করেন শহীদ আফ্রিদি এবং মোহাম্মদ হাফিজের উইকেট। মুস্তাফিজের করা ২৪ বলের ১৬টিতেই রান নিতে পারেননি পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা।
তাসকিনকে তুলে আনা প্রসঙ্গে সুজন বলেন, 'তাসকিনের কথা বললে, ও আমার চিটাগং কিংসে নেট বোলার ছিল। ওকে এরপর আমি দলে নেই। নেয়ার পর সবাই আমাকে বলে, আমি কি পাগল, যে ওকে খেলাইতে চাই। এমনকি আমাদের নাসু ভাই, উনি বলে সুজন তুই কি পাগল যে ওরে খেলাবি? আমি বলি আমাকে খেলাইতে দেন তো, কি হবে, সর্বোচ্চ ৪ ওভার করবে। এরপর ওকে খেলাই, তাসকিন প্রথম ম্যাচে ৪ উইকেট পায়।'