তিলককে তুলে নেয়ার ব্যাখ্যা দিলেন হার্দিক-জয়াবর্ধনে

ছবি: বিসিসিআই

টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে মিচেল মার্শ ও এইডেন মার্করামের হাফ সেঞ্চুরির সঙ্গে আয়ুশ বাদোনি ও ডেভিড মিলারের ক্যামিওতে ২০৩ রান তোলে লক্ষ্ণৌ। ভারত রত্ন শ্রী অতল বিহারি বাজপায়ী একানা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৮.১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৮৬ তোলে মুম্বাই। নামান ধীর আউট হয়ে ফিরে যাওয়ার পর ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে ব্যাটিংয়ে নামেন তিলক।
বল হাতে ৫ উইকেটের পর ব্যাটিংয়ে হার্দিকের ক্যামিও, তবুও হারল মুম্বাই
২২ ঘন্টা আগে
পাঁচ নম্বরে ব্যাটিং করতে নেমে সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে ৪৮ বলে ৬৬ রানের জুটি গড়েন বাঁহাতি ব্যাটার। যদিও সেখানে বেশিরভাগ রানই এসেছিল সূর্যকুমারের ব্যাট থেকে। তিলক করতে পেরেছিলেন ১৮ বলে ১৭ রান। ইনিংসের শেষ দুই ওভারে মুম্বাইয়ের প্রয়োজন ছিল ২৯ রান। শার্দুল ঠাকুরের প্রথম পাঁঁচ বলে ৫ রান নিয়েছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া ও তিলক। এমন অবস্থায় তুলে নেয়া হয় ২৩ বলে ২৫ রান করা তিলককে।
টিম ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্তে মাঠ থেকে চলে যাওয়ায় ‘রিটায়ার্ড আউট’ হয়েছেন বাঁহাতি ব্যাটার। সাই সুদর্শন, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, আথার্ভ টাইডের পর চতুর্থ ক্রিকেটার হিসেবে আইপিএলে ‘রিটায়ার্ড আউট’ হয়েছেন তিলক। ম্যাচ শেষে হার্দিক জানান, বড় শটের প্রয়োজন হলেও তিলক সেটা না পারায় তাকে তুলে নেয়া হয়েছে।

ব্রডকাস্টারদের সঙ্গে আলাপকালে মুম্বাইয়ের অধিনায়ক বলেন, ‘এটা অবধারিত ছিল। আমাদের প্রয়োজন ছিল কিছু বড় শট, কিন্তু সে (তিলক) পারছিল না। ক্রিকেটে কখনও কখনও এরকম দিন আসে, যখন কেউ প্রবলভাবে চেষ্টা করেও কাজ হয় না। সিদ্ধান্তটি নিজেই ফুটিয়ে তুলছে, কেন আমরা এটি করেছি।’
ধোনি-শঙ্করের ধীর গতির ইনিংসে দিল্লির কাছে হারল চেন্নাই
২ ঘন্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে জয়াবর্ধনে এটাকে ট্যাকটিক্যাল সিদ্ধান্ত কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সে ডানা মেলতে চাইছিল, কিন্তু পারছিল না। শেষ কয়েক ওভার পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করেছি এই আশায় যে, সে ছন্দ ফিরে পাবে, কারণ সে কিছুটা সময় ক্রিজে কাটিয়েছে, তার উচিত ছিল চাপটা সরিয়ে ফেলা।’
‘কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমার মনে হয়েছে, তরতাজা কাউক প্রয়োজন, সে (তিলক) ধুঁকছিল। এই ধরনের ব্যাপার ক্রিকেটে হয়েই থাকে। তাকে তুলে নেওয়া অবশ্যই দারুণ কিছু নয়। তবে এটা আমাকে করতেই হতো। ম্যাচের ওই পর্যায়ে সেটি ছিল ট্যাকটিক্যাল সিদ্ধান্ত।’
আইপিএলের চলমান আসরটা একেবারেই ভালো যাচ্ছে না মুম্বাইয়ের। এখন পর্যন্ত চার ম্যাচ খেলা পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা জিততে পেরেছে মাত্র একটি ম্যাচে। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে জিতলেও মুম্বাইকে হারতে হয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস, গুজরাট টাইটান্স ও লক্ষ্ণৌর বিপক্ষে। এক জয়ে দুই পয়েন্ট নিয়ে তাদের অবস্থান টেবিলের সাত নম্বরে। ৭ এপ্রিল পরের ম্যাচে মুম্বাইয়ের প্রতিপক্ষ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।