আফ্রিদি-হারিসদের দেখে ওয়াসিম-ওয়াকারের কথা মনে পড়ছে শোয়েবের

ছবি: সংগ্রহীত

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
গ্লোবাল সুপার লিগের হাত ধরে পিএসএলে রিশাদ, লাহোরের ধন্যবাদ
১৮ জানুয়ারি ২৫
পাকিস্তানকে বলা হয়ে থাকে পেস বোলার তৈরি কারখানা। সেই কারখানার অন্যতম সেরা পেসার ওয়াসিম আকরাম। ‘সুলতান অব সুইং’ এর মতো বিশ্ব ক্রিকেট দাঁপিয়ে বেরিয়েছেন ওয়াকার ইউনিস। রিভার্স সুইং আর প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের বোকা বানানোর মন্ত্রে পাকিস্তানের পেস বোলিং রীতিমতো বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন তারা দুজন।
পরে শোয়েব আখতার, উমর গুল, মোহাম্মদ আমিররা ছিলেন ওয়াকার-ওয়াসিমের যোগ্য উত্তরসূরী। পেস বোলিংয়ে বর্তমানে বিশ্ব ক্রিকেট মাতিয়ে বেড়ােচ্ছেন শাহীন শাহ আফ্রিদি, নাসিম শাহ এবং হারিস রউফরা। পাকিস্তানের এই পেস ত্রয়ীর দাপট দেখে ওয়াকার-ওয়াসিমের কথা মনে পড়ছে শোয়েব আখতারের।
১৯৯২ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে ফেভারিট ইংল্যান্ডের হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপ জিতেছিল পাকিস্তান। ২৫০ রানের লক্ষ্যে খেলতে নামা ইংলিশরা থেমেছিল ২২৭ রানে। অ্যালান লাম্ব ও ক্রিস লুইসকে পরপর দুই বলে ফিরিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন ওয়াসিম। ৩ উইকেট নিয়ে জিতেছিলেন ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার।

নিজের সময়টায় পুরো বিশ্ব রাজত্ব করেছেন ওয়াকার। পাকিস্তানের পেস বোলিংয়ের অন্যতম পথিকৃতদের একজন তিনি। ওয়াসিম এবং ওয়াকারদের কাজটা এখন ভালোভাবেই করছেন শাহীন আফ্রিদি, হারিস, নাসিমরা। ২০১৯ বিশ্বকাপের পর থেকে ২৫.৬২ গড়ে মাত্র ৩৪ ম্যাচে ১৯৪ উইকেট নিয়েছেন পাকিস্তানের পেসাররা।
পাকিস্তানের ওয়ানডে দলে ফিরছেন হারিস রউফ
২৬ মার্চ ২৫
কদিন আগে ভারতের টপ অর্ডারকে গুঁড়িয়ে দিয়েছেন শাহীন আফ্রিদি, হারিসরা। তাদের পেস তাণ্ডব দেখা গেছে বাংলাদেশের বিপক্ষেও। পাকিস্তানের পেসারদের এমন দাপটে পুরনো দিনের কথা মনে পড়ছে শোয়েবের।
স্টার স্পোর্টসের এক অনুষ্ঠানে শোয়েব বলেন, ‘এই পেস ইউনিট আমাকে পুরানো দিনের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে... সেই সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয় যখন দুই পেসার ওয়াকার (ওয়াকার ও ওয়াসিম)। তারা (বর্তমান বোলার) খুবই আত্মবিশ্বাসী এবং তাদের মাঝে উইকেট নেয়ার মানসিকতা রয়েছে।’
বরাবরের মতো পাকিস্তানের পেসার ইউনিট বিশ্ব ক্রিকেটে রাজত্ব করছে। চলতি এশিয়া কাপে তাদের তোপের মুখে পড়তে হয়েছে বর্তমানের ব্যাটিং পরাশক্তি ভারত এবং বাংলাদেশকে। চলতি টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত তিন ম্যাচে ২৩ উইকেট নিয়েছে পাকিস্তানের পেসার ত্রয়ী শাহীন, নাসিম, রউফরা।
পাকিস্তান এখনও এমন শক্তিশালী বোলিং ইউনিট তৈরি করতে সক্ষম হওয়ায় আনন্দিত সাবেক এই গতি তারকা। শোয়েব বলেন, ‘এই তরুণরা খুব প্রতিভাবান এবং আমি খুব খুশি যে পাকিস্তান সর্বদা এই রকমের (শক্তিশালী) পেস বোলার তৈরি করতে সক্ষম হচ্ছে।’