থুতুকে না, ঘাম হতে পারে বিকল্প

ছবি: ছবিঃ সংগৃহীত

|| ক্রিকফ্রেঞ্জি করেসপন্ডেন্ট ||
ক্রিকেট বলে সুইং দেবার জন্য থুথুর ব্যবহারের ইতিহাস বেশ পুরাতনই বলা চলে। বলে এই থুতুর ব্যবহার ভবিষ্যতে করোনাভাইরাস সংক্রমণের একটি কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ইতোমধ্যেই এই ব্যপারে সতর্কতা অবলম্বন করতে বলে দিয়েছেন ।
বর্তমানে বিশ্বে সকল প্রকার ক্রিকেট বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি স্বভাবিক হবার আগে খেলা মাঠে গড়ানোর কোনো সম্ভাবনাই নেই। কিন্তু পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও যে করোনার ঝুঁকি শেষ হয়ে যাবে সেটি কিন্তু ভাবা যাবে না। সেই সময় খেলা মাঠে গড়ালে খেলোয়াড়দের থাকতে হবে সতর্ক। একই সঙ্গে থুতু ব্যবহারের বিকল্প কিছু বের করে নিতে হবে তাদের।
এমন কঠিন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ফাস্ট বোলার এবাদত হোসেন মনে করেন টেস্ট ক্রিকেটে বল না থুথু ব্যবহার করে ঘষে উজ্জ্বল না করে খেলাটা বেশ কঠিন কাজ। সেই সঙ্গে এই পেসার আশাবাদী যে বিকল্প কিছু বোলাররা ঠিকই খুজে বের করে ফেলবে। সম্প্রতি ক্রিকফ্রেঞ্জিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা জানান।

এবাদত বলেন, 'এটা খুবই কঠিন কাজ বল ঘষে উজ্জ্বল না করে টেস্ট খেলা। তবে আমাদের যদি বল উজ্জ্বল করার জন্য থুতু ব্যবহার বন্ধ করার পরামর্শ দেওয়া হয় তবে আমাদের মানিয়ে নিতে হবে। সব বোলারদের অবস্থাও একই রকম হবে। তবে আবারও বোলাররা অবশ্যই বিকল্প পথ খুঁজে বের করবে।'
সম্প্রতি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) খেলায় হাতে থুতু ব্যবহার না করেই তিনি বোলিংয়ের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন বলেও তিনি জানান
'এটি অভ্যাসবশত, আমি বেশিরভাগ সময়ই থুতু ব্যবহার করতাম। তবে পরে আমাদের এটি ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তবে আমাকে বলটি সুইং দিতে হলে ঘষতে হবে। তাই আমার থুতু স্পর্শ করার জন্য আমি হাত ব্যবহার করিনি। এর পরিবর্তে আমি বলে থুথু ফেলেছিলাম।'
বিকল্প ব্যবহারের প্রসঙ্গে বিসিবি পরিচালক ও বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন বলেন, 'যদি এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত আসে তবে আমাদের বিকল্প উপায় খুঁজে বের করতে হবে। আমি মনে করি বোলাররা ঘাম ব্যবহার করতে পারে।'
'আমি কেবল এটুকুই বলতে পারি যে যদি থুতু জিনিসটিকে বাতিল করে দেওয়া হয় তবে আমাদের এ সম্পর্কে অনেক চিন্তাভাবনা করতে হবে। আশা করি আমরা এর সমাধান করব।'