ক্রিকেট বোর্ডগুলোকে ধুয়ে দিলেন মুলতান টেস্টের 'খলনায়ক'

ছবি: ছবিঃ সংগৃহীত

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
২০০৩ সালের কথা। মুলতানে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্ট খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ। ১০৬ রানের লিডে থাকা বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে রান তখন ৫ উইকেটের বিনিময়ে ৯১।
এমন সময় বল হাতে আসেন ইয়াসির আলি। ব্যাটিংয়ে ছিলেন অলক কাপালি। ইয়াসিরের সেই ওভারে বল অলকের ব্যাট ছুঁয়ে চলে যায় কিপার রশীদ লতিফের কাছে। সেটি নিমিষেই তালুবন্দি করেন লতিফ। কিন্তু বলটি এরই মাঝে পেয়ে গিয়েছিল মাটির স্পর্শ।

ব্যপারটি জানা সত্ত্বেও তা চেপে গিয়েছিলেন এই উইকেটরক্ষক। ফলে আউট হয়ে সাজঘরে ফিরতে হয়েছিল কাপালিকে। শেষতক সেই টেস্টে পাকিস্তান এক উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল। এ ঘটনার পর সত্য উদঘাটিত হলে ৫ ম্যাচের জন্য নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিলেন রশীদ। সেই থেকে তিনি বনে যান মুলতান টেস্টের খলনায়ক।
সম্প্রতি আবার আলোচনায় এসেছেন মুলতান টেস্টের সেই 'খলনায়ক'। এবারে বিশ্বের সকল ক্রিকেট বোর্ডকে ফিক্সিং নিয়ে ধুয়ে দিয়েছেন লতিফ। তাঁর মতে ম্যাচ পাতানোয় সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করছে বিভিন্ন দেশের ক্রিকেট বোর্ড।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে রশিদ লতিফ বলেন, ‘ম্যাচ পাতানোয় অভিযুক্ত খেলোয়াড়কে সব সময় সমর্থন দিয়ে এসেছে বোর্ডগুলো। কিন্তু আমরা শুধু খেলোয়াড়দের দোষ দেই। তারা অভিযুক্ত ঠিক আছে, কিন্তু ক্রিকেট কর্তৃপক্ষেরও এখানে দোষ আছে।’
‘খেলোয়াড়েরা তো ঘুঁটি মাত্র। বোর্ডের বড় কর্তারা তাদের ব্যবহার করে। ফিক্সিংয়ের পেছনে বড় ভূমিকা আছে বোর্ডের??। বোর্ডের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা, রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে যারা পদ পেয়েছেন, তারা এর সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে জড়িত। এ কারণেই খেলোয়াড়েরা সব সময় সুরক্ষা পাচ্ছে।’
শুধু তাই নয়, লতিফ আঙ্গুল তুলেন আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগের (আকসু) দিকেও। তাঁর ভাষ্যমতে, ‘কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তি থেকে খেলোয়াড়দের দূরে থাকতে বলে আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগ। কিন্তু দেখা যায় ক্রিকেটাররা এমন ফ্র্যাঞ্চাইজি দলে খেলছে যার মালিক হয়তো সেই ব্যক্তি। এটা একটা বড় সমস্যা।’