মাঠকর্মীদের আর্থিক অনুদান দিচ্ছে বিসিবি

ছবি: ছবিঃ সংগৃহীত

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
করোনার প্রাদুর্ভাবে থেমে গেছে দেশের ক্রিকেটাঙ্গন। খেলা বন্ধের সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে গিয়েছে মাঠের স্টাফদের আয়ও। খেলা কবে মাঠে ফিরবে তার নেই কোনো ঠিক ঠিকানা। ফলে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে স্টাফদের স্বাভাবিক জীবন যাত্রাও।
তাদের এহেন দুর্দিনে এগিয়ে এলো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবি স্টাফ ও মাঠকর্মীদের (গ্রাউন্ডসম্যান) আর্থিক অনুদান দিতে যাচ্ছে বিসিবি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খোদ বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

বিসিবি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত মাঠকর্মীর সংখ্যা ২০০ জন। এর ভেতর অস্থায়ী (চুক্তিভিত্তিক) কর্মী রয়েছেন ১১০ জন এবং স্থায়ী ৯০ জন। চুক্তিভিত্তিক একজন মাঠকর্মীর মাসিক বেতন ১১ হাজার টাকা। ১২ হাজার ৪০০ টাকা মাসিক বেতনে স্থায়ী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৯০ জনকে। বিসিবি অফিসে কাজ করা নিম্ন বেতনের স্টাফও কম নন।
বুধবার (১ এপ্রিল) দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক সমকালকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বিসিবি বস বলেন, 'প্রথমে ছেলেদের দিলাম। এরপর মেয়েদের দিলাম। এখন যেসব নিম্ন আয়ের স্টাফ আছে, মাঠকর্মী, স্কোরার এবং আরও যারা আছে, তাদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এর একটা তালিকা করা হচ্ছে। কালই (আজ) জেনে যাব তারা কারা।'
বোর্ড সভাপতি আরও বলেন, 'গ্রাউন্ডসম্যান স্বল্প আয়ের। এর মধ্যে খণ্ডকালীনই বেশি। ওরা তো এখন কিছুই পাচ্ছে না। বিপদে থাকবে ওরা। স্কোরারদের সম্মানীও কম। এ রকম আরও যারা আছেন, তাদের এ সময়ের জন্য একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।'
সেই সঙ্গে তিনি সরকারের তহবিলে অনুদান দেবারও ইঙ্গিত দেন। তিনি বলেন, 'সরকারের তহবিলে আর্থিক অনুদান দেওয়ার জন্য আমরা এক পায়ে খাড়া। আসলে কী করলে ভালো হবে, সেটা এখনও জানি না। তামিমরা যখন তহবিল গোছাল, তখন সরকারের সংশ্নিষ্ট বিভাগে আর্থিক অনুদান দেওয়ার প্রস্তাব করেছিলাম, সে সময় আমাকে বলা হয়েছিল কয়েকটা দিন অপেক্ষা করতে। যদি সরকারের তহবিলে টাকা দিতে না হয়, তাহলে অন্য পন্থায় কিছু একটা করব।'
এর আগে কেন্দ্রীয় চুক্তির বহির্ভূত প্রিমিয়ার লিগে খেলা ক্রিকেটারদের ৩০ হাজার টাকা, নারী ক্রিকেটারদের ২০ হাজার টাকা দেবার ঘোষণা দিয়েছেন নাজমুল হাসান পাপন। ধারণা করা হচ্ছে স্টাফদের ১০ হাজার টাকা করে দেয়া হতে পারে।