ক্রাইস্টচার্চে সন্ত্রাসী হামলায় টুইটারে তোলপাড়

ছবি: ছবিঃ সংগৃহীত

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে সন্ত্রাসী হামলাকে ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখছেন জাতীয় দলের ওপেনার তামিম ইকবাল। প্রানে বেঁচে যাওয়ায় নিজেদেরকে ভাগ্যবান মনে করছেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। সেই সঙ্গে কোনদিন এমন ঘটনার সম্মুখীন হতে চান না এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।
দুজনই নিজেদের অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে এই ঘটনার পর টুইট করে নিজেদের এবং দলের সবার নিরাপত্তায় থাকার কথা নিশ্চিত করেছেন। দলের কন্ডিশনিং কোচ মারিও ভিল্লাভারানও সবার নিরাপদে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ক্রিকফ্রেঞ্জির পাঠকদের জন্য বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের টুইট গুলো তুলে ধরা হলঃ

‘পুরো দল গোলাগুলির হাত থেকে বেঁচে গেলো। খুবই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’ (তামিম ইকবাল)
‘আলহামদুলিল্লাহ্! ক্রাইস্টচার্চে হামলার ঘটনা থেকে আল্লাহ্ আজ আমাদের বাঁচিয়ে দিলেন। আমরা অনেক বেশি ভাগ্যবান। কখনোই এমন ঘটনার সম্মুখীন হতে চাই না। আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’ (মুশফিকুর রহিম)
‘মাত্রই এক বন্দুকধারীর হাত থেকে রক্ষা পেলাম। এখনো শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক হচ্ছে না। ভয় কাজ করছে সর্বত্র।’ (অ্যানালিস্ট শ্রিনিবাস)
‘আমি ঘটনার পরপরই ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা কিছু দেখেনি তবে গুলির আওয়াজ শুনে হাগলি পার্ক দিয়ে মাঠে ফিরে গেছে।
'কোচিং স্টাফের সবাই টিম হোটেলেই ছিলেন। খেলোয়াড়রা গোলাগুলির শব্দ শুনেই দৌড়ে নিরাপদ স্থানে গিয়েছেন।’ (স্ট্রেন্থ ও কন্ডিশনিং কোচ মারি ভিল্লাভারান)
এদিকে ক্রাইস্টচার্চে সন্ত্রাসী হামলার কারণে সিরিজের শেষ টেস্টটি বাতিল করা হয়েছে। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সম্মিলিত সিদ্ধান্তে চলতি সফরটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
শনিবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল সিরিজের শেষ টেস্টটি। কিন্তু শুক্রবার জুম্মার নামাজ আদায় করতে যাওয়ার সময় দক্ষিণ হেগলি পার্কে অবস্থিত মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় গোলাগুলির মুখে পড়েন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা।
এরপর সেখানকার পথচারীরা ডিনস এভিনিউয়ের দিকে ক্রিকেটারদের যেতে নিষেধ করেন। পরবর্তীতে আতঙ্কিত তামিমরা দ্রুত হেগলি পার্ক ত্যাগ করেন এবং হেগলি ওভালে ফিরে ড্রেসিং রুমে অবস্থান নেন।