সুপার ফোরে যাওয়ার অন্য কোনও সমীকরণ জানাই ছিল না রশিদ-নবিদের

ছবি: সংগৃহীত

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
অস্ট্রেলিয়াও আমাদেরকে হালকাভাবে নেবে না: আফগানিস্তানের কোচ
২৭ ফেব্রুয়ারি ২৫
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচের সমীকরণ না বুঝেই সুপার ফোরে ওঠা হয়নি আফগানিস্তানের। এমনকি শেষ পর্যন্ত চাপ সামলাতে না পেরে দুই রানে হেরে গেছে দলটি। এ নিয়ে মাঠেই আফসোস করতে দেখা গেছে আফগানিস্তানের ক্রিকেটার ও সমর্থকদের। ম্যাচের পর আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনেও এ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন দলটির হেড কোচ জনাথন ট্রট।
৩৭.১ ওভারের মধ্যে ২৯২ রান তাড়া করতে পারলেই সুপার ফোর নিশ্চিত এমন সমীকরণ জেনেই মাঠে নেমেছিল আফগানিস্তান। মোহাম্মদ নবি-নাজিবউল্লাহ জাদরানরা সেই পথেই রেখেছিলেন দলকে। যদিও দ্রুত বেশ কয়েকটি উইকেট হারিয়ে সেই লক্ষ্য কঠিন হয়ে যায় আফগানিস্তানের।

৩৮তম ওভারে প্রথম বলে মুজিব উর রহমান আউট হওয়ার পর আফগানিস্তান দলের ক্রিকেটারদের মাঝে নেমে আসে শোকের ছায়া। মাঠেই রশিদ খানের চোখ ছলছল করছিল, হাটু গেঁড়ে বসে পড়েছিলেন মাঠেই।
আফগানিস্তানকে নিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজের পরিকল্পনা বিসিবির
১৪ মার্চ ২৫
তারা ভেবেছিলেন সুপার ফোরের আশা সেখানেই শেষ। টিভিতেও বারবার শঙ্কা প্রকাশ করছিলেন ধারাভাষ্যকাররা। তারাও বারবার বলছিলেন, আফগানিস্তান সম্ভবত পরের রাউন্ডে যাওয়ার সঠিক সমীকরণ জানে না। ম্যাচ শেষে ট্রট জানিয়েছেন, সুপার ফোরে ওঠার অন্য কোনও হিসেব তাদের জানানোই হয়নি।
তিনি বলেন, 'আমাদের ৩৭.১ ওভারের হিসেবটা বুঝিয়ে দেয়া হয়েছিল। সাথে যে অন্য হিসেব-নিকেশও থাকতে পারে তা নিয়ে আমাদের সাথে কেউ কোনো প্রকারের যোগাযোগও করেনি। আমরা জানতাম জিততে হলে এটাতেই জিততে হবে। কিন্তু ২৯৫ বা আরও কোনো হিসেবও যে থাকতে পারে তা আমাদের অবগত করা হয়নি।'
কার্যত এরপরও সুপার ফোরে যাওয়ার সুযোগ ছিল আফগানিস্তানের সামনে। সেক্ষেত্রে ৩৭.৪ ওভারের মধ্যে আফগানিস্তানকে করতে হতো ২৯৫ রান। ম্যাচ টাই করতে পারলে মানে ২৯১ রান করলে সেই সুযোগ ছিল ৩৮.১ ওভার পর্যন্ত। আফগানিস্তান সেই সুযোগটাই নিল না।
উল্টো ৩৮তম ওভারের চতুর্থ বলে ফজলহক ফারুকি এলবিডব্লিউ হয়ে যাওয়ায় আফগানিস্তানকে ম্যাচ হারতে হয়েছে ২ রানে। ১৬ বলে চারটি চার ও একটি ছক্কায় ২৭ রান করা রশিদ কেবল দলের আফসোসই বাড়িয়েছেন।