ম্যাচের শুরুতেই আমরা হেরে গেছি: সাকিব

ছবি: সংগৃহীত

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
অসুস্থ তামিমকে দেখতে হাসপাতালে যাচ্ছেন সাকিবের বাবা-মা
২৫ মার্চ ২৫
এশিয়া কাপের সুপার ফোরে নিজেদের প্রথম ম্যাচ হারল বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে হারের পর দলের টপ অর্ডারের দিকেই আঙুল তুললেন সাকিব আল হাসান। নিখাদ ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে দ্রুত উইকেট পতনের জন্য দলের টপ অর্ডার ব্যাটারদের ব্যর্থতাকেই দায়ী করছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক।
ম্যাচটিতে ৪৭ রানের মধ্যেই শুরুর চার ব্যাটারকে হারায় বাংলাদেশ। এরপর মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে একশ রানের জুটি গড়েন সাকিব। যদিও এই দুজন হাফ সেঞ্চুরি করে ফিরে গেলে আবারও ব্যাকফুটে যায় বাংলাদেশ। ৩৮.৪ ওভারে ১৯৩ রানে অলআউট হয় দলটি।
মূলত পাকিস্তানের পেসসারদের সামনে সুবিধা করতে পারেনি তারা। হারিস রউফ চারটি, নাসিম শাহ তিনটি ও শাহীন শাহ আফ্রিদি একটি উইকেট নেন। পরে ইমাম উল হক ও মোহামদ রিজওয়ানের হাফ সেঞ্চুরিতে সাত উইকেটের সহজ জয় পায় ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দল পাকিস্তান।

সাকিব বলেন, 'আমরা ম্যাচের শুরুতেই হেরে গেছি। তারা খুব ভালো বোলিং করেছে, আমরা বেশ কিছু বাজে শট খেলেছি। এ রকম একটা উইকেটে প্রথম দশ ওভারে আমাদের চারটি উইকেট হারানো ঠিক হয়নি। আমার আর মুশফিকের জুটি ভালো ছিল। আরও ৭-৮ ওভার আমরা খেলতে পারতাম। আমি আউট হওয়ার পর আর কোনও জুটি হয়নি। এ রকম একটা উইকেটে খুবই বাজে ব্যাটিং।'
বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব খেলতে পাকিস্তানে গেলেন বাংলাদেশের মেয়েরা
৩ এপ্রিল ২৫
'এটার দায়ভার আমাদের নিত হবে এবং পরের ম্যাচের প্রস্তুতি নিতে হবে। তারা র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর দল। তাদের বোলিং লাইনআপ বিশ্বসেরা। তারা যদি দ্রুত উইএত নেয় তাহলে তাদের ব্যাটারদের জন্য কাজটা সহজ হয়ে যায়। আশা করি কলম্বোতে আমরা ভালো খেলব।'
টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নামা বাংলাদেশকে ভালো শুরু পেতে দেননি পাকিস্তানের বোলাররা। আফ্রিদি নিজের প্রথম ওভারটি মেইডেন নেন। এরপর অন্যপ্রান্ত দিয়ে বোলিং আক্রমণে আসেন নাসিম শাহ। এই পেসারের করা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই স্কয়ার লেগে ফখর জামানকে ক্যাচ দিয়ে গোল্ডেন ডাক মেরে আউট হয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
এরপর শুরুর বিপর্যয় সামাল দিয়েছেন লিটন দাস ও নাইম শেখ। অবশ্য এই দুজনের জুটি বেশিদূর এগোতে দেননি আফ্রিদি। তার করা শর্ট লেন্থের বাড়তি বাউন্স পাওয়া বল থার্ড ম্যান অঞ্চল দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে উইকেটরক্ষক রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন লিটন। তার ব্যাট থেকে আসে ১৬ রান।
এরপর বেশিক্ষণ থিতু হতে পারেননি নাইম শেখ। ভালো শুরু পেলেও তিনি ইনিংস বড় করতে পারেননি। হারিসের ওপর চড়াও হতে গিয়ে বাংলাদেশের এই ওপেনার টপ এজ হয়েছেন ব্যক্তিগত ২০ রানে। ফলে ৪৫ রানের মধ্যে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারকে হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
এই ম্যাচেও ব্যর্থ হয়েছেন আগের ম্যাচে শূন্য রানে আউট হওয়া তাওহীদ হৃদয়। এই টাইগার ব্যাটার হারিসের লেংথ বলে ফ্লিক করতে গিয়ে বোল্ড হয়েছেন ব্যক্তিগত ২ রানে। এরপর বাংলাদেশের হাল ধরেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার সাকিব ও মুশফিক।