টানা দুই জয়ে সিরিজ ভাগাভাগি করল নিউজিল্যান্ড

ছবি: সংগৃহীত

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
শেষ ওয়ানডেতেও ফেরা হচ্ছে না চ্যাপম্যানের
৩ ঘন্টা আগে
গত ম্যাচেই সিরিজ জয়ের সুযোগ ছিল ইংল্যান্ডের সামনে। কিন্তু ইংলিশদের বড় ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজে ফেরে নিউজিল্যান্ড। শেষ ম্যাচেও সুযোগ হাতছাড়া করল ইংলিশরা। নটিংহামে স্বাগতিকদের ছয় উইকেটে হারিয়েছে কিউইরা। আর তাতে চার ম্যাচের সিরিজ ২-২ ব্যবধানে ড্র করেছে টিম সাউদির দল।
টস জিতে আগে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ২০ ওভারে আট উইকেটে ১৭৫ রান তোলে ইংল্যান্ড। উদ্বোধনী জুটিতেই দলটি তোলে ৬৫ রান। ১৫ বলে ১৬ রান করে ৬.৪ ওভারে ফিরে যান ওপেনার উইল জ্যাকস।
ইস সোধির শিকার হন তিনি। তারপর ডেভিড মালানকে নিয়ে ৪০ রানের জুটি গড়েন জনি বেয়ারস্টো। এই জুটি ভাঙেন মিচেল সান্টনার। ফেরার আগে ৪১ বলে পাঁচটি চার ও ছয়টি ছক্কায় ৭৩ রান করেন বেয়ারস্টো।

এরপর থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে ইংলিশরা। সান্টনার-সোধিদের স্পিনে সুবিধা করতে পারছিলেন না তারা। দুই ওপেনারের পর ইংল্যান্ডের ইনিংসের মিডল অর্ডারে দুই অঙ্ক ছুঁতে পেরেছেন কেবল মালান এবং লিয়াম লিভিংস্টোন। দুজনই করেন ২৬ রান করে।
ইংল্যান্ড সফরে রুদ্ধদ্বার প্রস্তুতি সারবে ভারত
৩ এপ্রিল ২৫
শেষদিকে সাত বলে ১১ রান করেন রেহান আহমেদ। আর অতিরিক্ত খাতা থেকে যোগ হয় আরও ১৩ রান। সবমিলিয়ে লড়াকু সংগ্রহই দাঁড় করায় ইংলিশরা। কিউইদের হয়ে ৩০ রান খরচায় তিন উইকেট নেন সান্টনার। ২১ রান খরচায় দুই উইকেট নেন সোধি।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ফিন অ্যালেনের উইকেট হারায় কিউইরা। ছয় বলে ১৬ রান করে দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন তিনি। তারপর ড্যারিল মিচেলের সঙ্গে দ্রুত সময়ে ৫৩ রানের জুটি গড়েন টিম সেইফার্ট।
সাত বলে ১৪ রান করে ফিরে যান মিচেলও। একটু পর ফিরে যান ওপেনার সেইফার্টও। ৩২ বলে ৪৮ রান করে দলের রানের চাকা সচল রেখেছিলেন তিনি। রেহানের বলে তিনি যখন কট এন্ড বোল্ড হন, তখন দলের রান ৮৩।
তারপর ৫৮ রানের জুটি গড়েন গ্লেন ফিলিপস এবং এবং মার্ক চ্যাপম্যান। এই জুটিই কিউইদের জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যায়। ২৫ বলে ৪২ রান করে রেহানের বলে ফিলিপস বিদায় নিলে খানিকটা চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড।
সেই চাপ থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন চ্যাপম্যান এবং রাচিন রবীন্দ্র। ২৫ বলে ৪০ রানে অপরাজিত থাকেন চ্যাপম্যান। ৯ বলে ১৭ রানের ক্যামিও খেলে ১৭.২ ওভারেই দলের জয় নিশ্চিত করেন রবীন্দ্র।