promotional_ad

তীরে এসে তরী ডোবালো দ্বিধাগ্রস্ত আফগানিস্তান

সংগৃহীত
promotional_ad

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||


আরো পড়ুন

এশিয়া কাপ সেপ্টেম্বরে, ভারত-পাকিস্তান লড়াই দেখা যেতে পারে ৩ বার

২৭ ফেব্রুয়ারি ২৫
বিরাট কোহলি ও হারিস রউফের আলিঙ্গন, আইসিসি

৩৭.১ ওভারের মধ্যে ২৯২ রান তাড়া করতে পারলেই সুপার ফোর নিশ্চিত এমন সমীকরণ জেনেই মাঠে নেমেছিল আফগানিস্তান। মোহাম্মদ নবি-নাজিবউল্লাহ জাদরানরা সেই পথেই রেখেছিলেন দলকে। যদিও দ্রুত বেশ কয়েকটি উইকেট হারিয়ে সেই লক্ষ্য কঠিন হয়ে যায় আফগানিস্তানের।


৩৮তম ওভারে প্রথম বলে মুজিব উর রহমান আউট হওয়ার পর আফগানিস্তান দলের ক্রিকেটারদের মাঝে নেমে আসে শোকের ছায়া। মাঠেই রশিদ খানের চোখ ছলছল করছিল, হাটু গেঁড়ে বসে পড়েছিলেন মাঠেই। তারা হয়তো ভেবেছিলেন সুপার ফোরের আশা সেখানেই শেষ। এরপরও সুপার ফোরে যাওয়ার সুযোগ ছিল আফগানিস্তানের সামনে।


সেক্ষেত্রে ৩৭.৪ ওভারের মধ্যে আফগানিস্তানকে করতে হতো ২৯৫ রান। ম্যাচ টাই করতে পারলে মানে ২৯১ রান করলে সেই সুযোগ ছিল ৩৮.১ ওভার পর্যন্ত। আফগানিস্তান সেই সুযোগটাই নিল না। উল্টো ৩৮তম ওভারের চতুর্থ বলে ফজলহক ফারুকি এলবিডব্লিউ হয়ে যাওয়ায় আফগানিস্তানকে ম্যাচ হারতে হয়েছে ২ রানে। এর ফলে দুই জয়ে সুপার ফোরে বাংলাদেশের সঙ্গী হলো শ্রীলঙ্কা।


প্রায় অসম্ভব সমীকরণ মাথায় রেখে খেলতে নেমে দলীয় ৫০ রানের মধ্যেই টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারকে হারায় আফগানিস্তান। এরপর রহমত শাহ ও মোহাম্মদ নবি মিলে যোগ করেন ৭১ রান। মূলত এই জুটিতেই ম্যাচে ফেরে আফগানিস্তান। রহমত ৪০ বলে ৪৫ রানের ধৈর্যশীল ইনিংস খেলে আউট হয়েছেন।



promotional_ad

এরপর হাসমতউল্লাহ শহীদিকে নিয়ে আরেকটি বড় জুটি গড়েন নবি। পঞ্চম উইকেটে তারা যোগ করেন ৮০ রান। নবি ৩২ বলে ঝড়ো ৬৫ রানের ইনিংস খেলেছেন।  শহীদি ফেরেন ৬৬ বলে ৫৯ রান। করিম জানাত ১৩ বলে ২২ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেছেন। শেষদিকে নাজিবউল্লাহ জাদরান ও রশিদ খান মিলে আফগানিস্তানকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যান।


আরো পড়ুন

২৮ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ হার

১৪ ফেব্রুয়ারি ২৫
স্টিভ স্মিথকে আউট করে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার উল্লাস

নাজিবউল্লাহ শেষদিকে ২৩ রান করে ফিরলেও আফগানিস্তানকে জেতাতে পারেনি রশিদ খান-মুজিব উর রহমানরা। রশিদ ১৬ বলে ২৭ রান করে অপরাজিত থাকলেও মুজিব-ফারুকীরা আউট হয়ে গেলে আফগানিস্তানের হার নিশ্চিত হয়ে যায়। ফলে কোনো জয় ছাড়াই এবারের এশিয়া কাপের মিশন শেষ হলো আফগানিস্তানের।


এর আগে এই ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক শানাকা। ওপেনিং জুটিতে শ্রীলঙ্কাকে উড়ন্ত সূচনা এনে দিয়েছিলেন দিমুথ করুনারত্নে ও পাথুম নিশাঙ্কা। এই দুজনে যোগ করেন ৬৩ রান। করুনারত্নে ৩২ রান করেন।


শ্রীলঙ্কার টপ অর্ডারে ধস নামিয়েছেন মূলত আফগান পেসার গুলবাদিন নাইব। তিনি টপ অর্ডারের তিনটি উইকেট তুলে নেন। করুনারত্নেকে তিনি আউট করেছেন স্লোয়ার বলে। আর তাতেই কাভারে মোহাম্মদ নবির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন করুনারত্নে। 


আরেক ওপেনার নিশাঙ্কা ৪১ রান করে ফিরেছেন। সাদিরা সামারাবিক্রমাও বেশিক্ষণ থিতু হতে পারেননি। তার ব্যাট থেকে এসেছে মাত্র ৩ রান। চতুর্থ উইকেটে চারিথা আসালাঙ্কাকে নিয়ে ১০২ রানের জুটি গড়েন কুশাল। আর আতেই বড় সংগ্রহের ভিত্তি পায় শ্রীলঙ্কা। 



আসালাঙ্কাকে ফিরিয়ে আফগানিস্তানকে ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছেন রশিদ। এরপর কুশাল ৯২ রান করে রান আউট হয়ে ফিরলে বিপদে পড়ে শ্রীলঙ্কা। অধিনায়ক শানাকা পরাস্ত হয়েছেন রশিদের গুগলিতে। আরেক ব্যাটার ধনঞ্জয়া ডি সিলভাকে আউট করেছেন মুজিব উর রহমান।


আর তাতেই শ্রীলঙ্কার বড় পুঁজির পথটা কঠিন করে দেন আফগান বোলাররা। যদিও থিকশানা ও ওয়েলালাগে শ্রীলঙ্কার বিশাল পুঁজি নিশ্চিত করেই মাঠ ছেড়েছেন। ওয়েলালাগে ৩৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন শেষ পর্যন্ত। থিকশানা ইনিংসের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে করেন ২৮ রান।



আরো খবর

সম্পাদক এবং প্রকাশক: মোঃ কামাল হোসেন

বাংলাদেশের ক্রিকেট জগতে এক অপার আস্থার নাম ক্রিকফ্রেঞ্জি। সুদীর্ঘ ১০ বছর ধরে ক্রিকেট বিষয়ক সকল সংবাদ পরম দায়িত্ববোধের সঙ্গে প্রকাশ করে আসছে ক্রিকফ্রেঞ্জি। প্রথমে শুধুমাত্র সংবাদ দিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে ক্রিকফ্রেঞ্জি একটি পরিপূর্ণ অনলাইন মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম।

মেইল: cricfrenzy@gmail.com
ফোন: +880 1305-271894
ঠিকানা: ২য় তলা , হাউজ ১৮, রোড-২
মোহাম্মাদিয়া হাউজিং সোসাইটি,
মোহাম্মাদপুর, ঢাকা
নিয়োগ ও বিজ্ঞপ্তি
বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ
নিয়ম ও শর্তাবলী
নীতিমালা
© ২০১৪-২০২৪ ক্রিকফ্রেঞ্জি । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
footer ball