এবাদত-খালেদের ইঞ্জিন ক্যাপাসিটিতে অবাক ডোনাল্ড

ছবি: সংগ্রহীত

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
সর্বশেষ দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে তাসকিন আহমেদ প্রথম টেস্ট খেললেও ছিলেন না শরিফুল ইসলাম। আর ইনজুরির কারণে পোর্ট এলিজাবেথে পাওয়া যায়নি দুই পেসারকেই। দলের ফ্রন্টলাইন দুই পেসার না থাকার পরও পেস ইউনিটকে দারুণভাবে সামলেছেন এবাদত হোসেন এবং শরিফুল ইসলাম।
বাড়তি দায়িত্বও নিতে হয়েছিল তাদের দুজনকে। সেটা যে ভালোভাবেই সামলেছেন তারা দুজন, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। ডারবান টেস্টে ৪২ ওভার বোলিং করেছিলেন এবাদত। যেখানে খালেদ করেছিলেন ৩৮ ওভার। পোর্ট এলিজাবেথে দুজনেই করেছিলেন ৩৩ ওভার করে। এবাদত ও খালেদের এমন ইঞ্জিন ক্যাপাসিটি দেখে চমকে গেছেন অ্যালান ডোনাল্ড।

খালেদ ও এবাদতের প্রশংসা করে ডোনাল্ড বলেন, ‘আমার মনে হয় আমার জন্য বড় চমক এবাদত ও খালেদ। আমি তাদের ইঞ্জিন ক্যাপাসিটি দেখে অবাক হয়েছি। পেস বোলিং হচ্ছে প্রচুর সাহস ও নিবেদনের ব্যাপার। আমি এর আগে দুই স্পিনার ও দুই পেসারের টেস্ট দেখিনি কিন্তু যেভাবে তারা দুজন মানিয়ে নিয়েছে নিজেদের বিশেষ করে ডারবানে তারা ছিল দুর্দান্ত।’
‘পাগলাটাকে আধা ঘন্টা ছাড়া যা আমাদের পিছিয়ে দিয়েছিল, আমি মনে করি দুই টেস্টেই দক্ষিণ আফ্রিকায় বোলারদের দারুণ প্রচেষ্টা ছিল। আমি যা দেখেছি তাতে বেশ আনন্দিত। আমি মনে করি প্রতিটি সেশনে আমাদের যে আলোচনা এবং শেখা তা যথেষ্ট। যেভাবে আমরা এগোচ্ছি তাতে আমি খুশি।’
পেসারদের মাইন্ডসেট, মেন্টাল, অ্যাটিটিউড ও ক্রিয়েটিভিট নিয়ে কাজ করতে পছন্দ করেন ডোনাল্ড। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বাংলাদেশের কোচিং প্যানেলে যোগ দিয়েছিলেন সাবেক প্রোটিয়া পেসার। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও পেসারদের নিয়ে কাজ করছেন ডোনাল্ড। পেসারদের নিয়ে কাজ করতে গিয়ে তাসকিন-শরিফুলদের শেখার আগ্রহ দেখে মুগ্ধ তিনি। বর্তমানে পেস ইউনিটকে নেতৃত্ব দেয়া তাসকিনকে সোনায় মোড়ানো হৃদয়ের অধিকারী বলে আখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ।
ডোনাল্ড বলেন, ‘ছেলেরা এসব শিখতে চায়, এটা ভালো ব্যাপার। আমার কোচিং ধরণ হল মাইন্ডসেট, মেন্টাল, অ্যাটিটিউড ও ক্রিয়েটিভিট। প্রতিটি অনুশীলন সেশনেই চাপ সামলানোর ব্যাপারে শেখানো হয়। তাসকিন সোনায় মোড়ানো হৃদয়ের অধিকারী, তার হৃদয় অনেক বড়৷ আবার তাকে বোলিং আক্রমণে নেতৃত্ব দিতে দেখলে অনেক ক্ষুধার্ত মনে হবে। আমি যা দেখেছি তাতে দারুণ রোমাঞ্চিত।’