নিজ বোর্ডের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ হোল্ডিংয়ের

ছবি: ছবি- সংগৃহীত

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের স্বর্ণযুগ অনেক আগেই শেষ হয়েছে। বর্তমানের দলটি নানা সমস্যায় জর্জরিত হয়ে আছে বেশ কিছুদিন থেকেই। পাশাপাশি দেশটির ক্রিকেট বোর্ডের নানা কর্মকান্ড নিয়েও সমালোচনা কম হচ্ছে না।
ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তী পেসার মাইকেল হোল্ডিংও নিজ দেশের ক্রিকেট বোর্ডের ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছেন। সিডব্লিউআইয়ের (ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড) আর্থিক কার্যক্রম নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি।
সম্প্রতি কার ফস্টার প্যানেলের একটি গোপন অডিট রিপোর্ট হাতে এসেছে হোল্ডিংয়ের। সেই রিপোর্ট থেকে জানা গেছে ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট এক স্পন্সরের কাছ থেকে ১ লাখ ৩৪ হাজার ২০০ ডলার পায় সিডব্লিউআই।

একই সঙ্গে ডমিনিকা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকেও বিপুল পরিমাণ অর্থ দেয়া হয় তাদের। এখানেই মূলত আপত্তি ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তীর। তার মতে এই আর্থিক লেনদেনগুলো বৈধ উপায়ে করেনি বোর্ড।
ইউটিউবে এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে হোল্ডিং বলেছেন, ‘এত বড় অঙ্কের টাকা গ্রহণের সময় এর স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে কোন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে? টাকাগুলো যে বৈধ এবং এখানে কোন মানি লন্ডারিং হয়নি- তার নিশ্চয়তা কী?’
শুধু তাই নয়, হোল্ডিংয়ের অভিযোগ বিসিসিআইয়ের দেয়া ৫ লাখ ডলার অনুদানও নাকি সঠিকভাবে খরচ করেনি সিডব্লিউআই। তার ভাষ্যমতে, ‘আমি পরবর্তী অনুষ্ঠানে আরেকটি বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত কথা বলব। ২০১৪ সালে সাবেক খেলোয়াড়দের সাহায্যের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডকে ৫ লাখ ডলার দিয়েছিল বিসিসিআই। আমি একজন সাবেক খেলোয়াড়, আমি বলছি না যে আমার সেই টাকা লাগবে।’
এই অর্থ দিয়ে কোনো ক্রিকেটারকেই সাহায্য করা হয়নি বলে দাবি করেছেন হোল্ডিং। ভারতের দেয়া অনুদান তাহলে কোন খাতে খরচ করা হয়েছে সেটি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
সাবেক ক্রিকেটার এবং জনপ্রিয় এই ধারাভাষ্যকার বলেছেন, ‘তবে আমি এমন অনেক খেলোয়াড়কে চিনি, যারা এই ৫ লাখ ডলারের একটি পয়সার দেখাও পায়নি। কাউকে কিছুই দেয়া হয়নি। আমি এ বিষয়ে নিশ্চিত। কারণ যদি আদৌ খেলোয়াড়দের সাহায্য করা হতো, তাহলে এটা নিয়ে অনেক উচ্চবাচ্য করা হতো। আমার প্রশ্ন হলো ভারতের দেয়া সেই অনুদানের টাকাগুলো কোথায়?’