জয়ের আশা করেননি আবু হায়দার
ছবি: ছবিঃ ক্রিকফ্রেঞ্জি

|| ক্রিকফ্রেঞ্জি করেসপন্ডেন্ট ||
চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে জয়ের কথা চিন্তা করেননি কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের বাঁহাতি পেসার আবু হায়দার রনি। লিয়াম প্লাঙ্কেটের করা শেষ ওভারের পঞ্চম বলে অধিনায়ক ডেভিড মালান রান আউট হলে হতাশ হয়ে পড়েন তিনি।
রনির হতাশা কাটিয়ে শেষ বলে চার মেরে দলকে রুদ্ধশ্বাস এক জয় এনে দেন আফগানিস্তানের মুজিব উর রহমান। চট্টগ্রামের দেয়া ১৬০ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে জয়ের জন্য ইনিংসের শেষ বলে ৩ রান প্রয়োজন ছিল কুমিল্লার।

এর ঠিক আগের বলেই রান আউটের শিকার হয়ে ফেরেন মালান। ফলে নতুন ব্যাটসম্যান মুজিব উর রহমানের জন্য শেষ বলে ৩ রান নেয়া ছিল বেশ কঠিন। কিন্তু সেই কঠিন কাজটি করে দেখিয়েছেন আফগানিস্তানের এই তরুণ স্পিনার।
দারুণ এই জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে আবু হায়দার বলেন, ‘আসলে ওই সময়টায় সহজ ছিল না। চাপের মুহূর্তে একজন নতুন ব্যাটসম্যান এসে এক বলে তিন রান করা অনেক কঠিন। আর মালান উইকেটে থিতু ছিল। ওর জন্য সহজ হতো বিষয়টা। লেগ সাইডটা ছোট ছিল ওর জন্য। কিন্তু একজন নতুন ব্যাটসম্যানের জন্য ইনিংসের শেষ বলে তিন রান করা কঠিন ছিল, এই কারণে একটু হতাশ হয়ে গিয়েছিলাম।’
শুধু মুজিবই নন, দলের জয়ে অন্যতম ভূমিকা রাখেন আবু হায়দারও। তাঁর ৮ বলে এক ছক্কা এবং এক চারের সাহায্যে ১২ রানের অপরাজিত ইনিংসটি জয়ের পথে সাহায্য করেছে কুমিল্লাকে। যদিও এই ইনিংস খেলার লক্ষ্য ছিল না বাঁহাতি এই পেসারের। উইকেটে থিতু থাকা মালানকে স্ট্রাইক দিতে চেয়েছেন তিনি।
আবু হায়দারের ভাষায়, ‘আসলে শেষ ওভারটি অনেক রোমাঞ্চকর ছিল। আমার পরিকল্পনা ছিল কীভাবে মালানকে স্ট্রাইক দেয়া যায়। কারণ সে ভালো খেলছিল তখন। আমার পরিকল্পনা ছিল কীভাবে এক রান নিয়ে ওকে দেয়া যায়। তবে শেষ ওভারে যখন খেলা চলে আসে, তখন আসলে এক দেয়ার পরিস্থিতি ছিল না। কারণ ৬ বলে ১৬ অনেক রান। আমিও চেষ্টা করেছি কীভাবে মেরে রানটা এগোনো যায়।’