প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ৬০টি বাস দেবে বাংলা টাইগার্স

ছবি: ছবি- সংগৃহীত

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
আরব আমিরাতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ৬০টি বাসের ব্যবস্থা করেছে টি-টেন লিগে বাংলাদেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি বাংলা টাইগার্স। টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ সফল করতে সমর্থকদের জন্য এই উদ্যোগ নিয়েছে তারা।
মূলত আরব আমিরাতের বিভিন্ন জায়গা থেকে স্টেডিয়ামে আসার জন্য যাতায়াত সুবিধা দিচ্ছে বাংলা টাইগার্স। এরই মধ্যে এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফ্যাঞ্চাইজিটি।

এক বিবৃতিতে বাংলা টাইগার্স বলেছে, 'টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের একটি দল আছে এটা জানার পর, অনেকেই স্টেডিয়ামে আসতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং আমাদের সমর্থন দিয়েছে। আমি তাদের সাড়াতে অনেক খুশি। বেশি চাহিদার কথা মাথায় রেখে আমরা প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ৬০টি বাসের ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বাসগুলো আরব আমিরাতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নিয়ে আসবে।'
ফ্র্যাঞ্চাইজিটির পক্ষ থেকে আরো বলা হয়, 'যদি অতিরিক্ত বাসের প্রয়োজন হয় আমরা সেগুলো দেয়ার জন্যেও প্রস্তুত আছি যেন আমাদের প্রবাসীরা ম্যাচগুলো উপভোগ করতে পারে এবং আমাদের সমর্থন দিতে পারে। এই দলটির মালিক আমরা নই, বরং এই দলটির মালিক সকল বাংলাদেশিরা। তাই একজন মালিক হিসেবে আরব আমিরাতে বসবাসরত প্রত্যেক প্রবাসী বাংলাদেশিদের দায়িত্ব আমাদের এই যাত্রা সফল করা।'
আগামী ১৫ নভেম্বর শুরু হবে টি-টেন লিগের চতুর্থ আসর। এবারের টুর্নামেন্টে বাংলা টাইগার্স দলটির হয়ে বাংলাদেশ থেকে খেলবেন ফরহাদ রেজা এবং এনামুল হক বিজয়। শুরুতে ৭ জন বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে তারা দলে নিলেও শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাছ থেকে অনাত্তিপত্র না পাওয়ায় ৫ জন খেলতে পারছেন না।
বাংলা টাইগার্স স্কোয়াড: থিসারা পেরেরা, কলিন ইনগ্রাম, আন্দ্রে ফ্লেচার, রাইলি রুশো, লিয়াম প্ল্যাঙ্কেট, কায়েস আহমেদ, এনামুল হক বিজয়, রবি ফ্রাইলিঙ্ক, ডেভিড ভিসা, হাসান খান, ফরহাদ রেজা, সেহান জয়সুরিয়া, চিরাগ সুরি ও মোহাম্মদ আব্দুল হাশেম।