আগ্রাসী ক্রিকেটই বাংলাদেশের মূলমন্ত্র

ছবি: রতন গোমেজ

|| ক্রিকফ্রেঞ্জি করেসপন্ডেন্ট ||
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বুধবারের ম্যাচে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে চান বাংলাদেশ দলের তরুণ অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন। যদিও ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ২৫ রানে হেরে নাজুক অবস্থায় আছে বাংলাদেশ।
নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে জয়ের বিকল্প ভাবছে না সাকিব আল হাসানদের দল। আর এই জয়ের জন্য চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠেয় ম্যাচটিতে আগ্রাসী ক্রিকেট খেলতে হবে, এমনই মনে করেন মোসাদ্দেক।

মঙ্গলবার চট্টগ্রামে মোসাদ্দেক বলেছেন, ‘টুর্নামেন্ট শুরুর আগে আমি বলেছিলাম আমাদের একটা ম্যাচ জেতা খুব জরুরী। প্রথম ম্যাচ জিতেছি এবং পরের ম্যাচ হেরেছি। তাই পরবর্তী ম্যাচটা আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের জিততেই হবে এবং আমরা জেতার জন্য খেলবো। আগ্রাসী ক্রিকেটটাই খেলব।’
আফগানিস্তানের বিপক্ষে সুবিধা করতে পারেননি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানেরা। রশিদ খান, মোহাম্মদ নবি, মুজিব উর রহমানদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করতে হয়েছে মোসাদ্দেকদের। ২৩ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডারের মতে প্রয়োগের ঘাটতির কারণেই ভরাডুবি হয়েছে দলের।
মোসাদ্দেক বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে স্কিলটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আপনি জানেন আফগানিস্তানের বেশি রিষ্ট স্পিনার। যে কারণে আপনি চাইলেই ওদের বিপক্ষে সব সময় চার-ছয় মারতে পারবেন না। এখানে স্কিলের ব্যাপার আছে। আমার মনে হয় কিছু জায়গায় প্রয়োগের ঘাটতি রয়েছে। এই ছোট ছোট জায়গায় ঘাটতির কারণেই আমরা ম্যাচগুলো অল্প রানে হারছি। আমি মনে করি এই সমস্যা থেকে যতো দ্রুত বের হওয়া যায়, ততই আমাদের জন্য ভালো।’
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১২ রান করেন মোসাদ্দেক। তবে প্রথম ম্যাচে ব্যাট হাতে অবদান রাখেন তিনি। আফিফ হোসেন ধ্রুবর সঙ্গে সপ্তম উইকেটে ৮২ রানের জুটি গড়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন এই অলরাউন্ডার। ইনিংসের শেষ পর্যন্ত ২৪ বলে ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন মোসাদ্দেক।