শূন্য রানে বিদায় নিলেন বিজয়

ছবি: সংগৃহীত

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ
শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবঃ ২৪৫/৮ (৫০ ওভার) (শুভাগত- ৪৪*, হৃদয়-৮৩; আরিফুল- ৩/৩৭, মনির-২/২০)
প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবঃ ২২/৪ (৪ ওভার) (ইয়াসওয়ারান-১৫, আরিফুল-০*; দেলোয়ার- ৩/১৩, শরিফুল- ১/৯)

বৃষ্টির পর বিপদে প্রাইম ব্যাংকঃ বৃষ্টির কারণে দীর্ঘ সময় খেলা বন্ধ থাকার পর ম্যাচের পরিধি ২০ ওভারে কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আম্পায়াররা। ফলে ১৪৯ রানের নতুন লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে প্রাইম ব্যাংকের সামনে। তবে এই লক্ষ্যে খেলতে নেমে মাত্র ৯ রানের মাথায় ৩ উইকেট হারিয়ে বড় ধরণের বিপদে পড়েছে আনামুল হক বিজয়ের দলটি।
স্কোরবোর্ডে কোনও রান যোগ করার আগেই শরিফুল ইসলামের বলে এলবিডব্লিউয়ের শিকার হয়ে ফিরেছেন দলপতি বিজয়। এরপর ৪ রানের মাথায় আরেক ওপেনার জাকির হাসানকে সাব্বির হোসেনের হাতে ক্যাচ বানিয়ে সাজঘরে পাঠিয়েছেন দেলোয়ার হোসেন।
পরবর্তীতে মাত্র ৫ রানের ব্যবধানে ব্যর্থতার দায়ভার নিয়ে ফিরতে হয়েছে চার নম্বরে খেলতে নামা মোহাম্মদ আল-আমিনকেও। সোহরাওয়ার্দি শুভর হাতে ক্যাচ বানিয়ে তাঁকে নিজের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত করেছেন দেলোয়ার।
৯ রানে তিন উইকেট খুইয়ে ফেলা দলটির হাল ধরতে ক্রিজে এসেছিলেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান অলোক কাপালি। কিন্তু মাত্র ৩ রান করে উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে এসেছেন তিনি। আর এর মাধ্যমে নিজের তৃতীয় উইকেট তুলে নিয়েছেন ডান হাতি মিডিয়াম পেসার দেলোয়ার। মাত্র ২২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বর্তমানে ধুঁকছে প্রাইম ব্যাংক।
বৃষ্টিতে খেলা বন্ধঃ শাইনপুকুর বনাম প্রাইম ব্যাংকের মধ্যকার খেলাটি বৃষ্টির কারণে আপাতত বন্ধ রয়েছে। এর আগে ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটির শুরুতে টসে জিতে ব্যাটিং করতে নেমে প্রাইম ব্যাংকের সামনে ২৪৬ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়েছিলো শাইনপুকুর।
আর এই পুঁজির পেছনে অনেকটাই কৃতিত্ব ব্যাটিং অলরাউন্ডার শুভাগত হোমের। কেননা ২২৭ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর খেলতে নেমে মাত্র ২৮ বলে ৪৪ রানের একটি ক্যমিও ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।
ওপেনার সাদমান ইসলাম এবং চার নম্বরে ব্যাট করতে নামা তৌহিদ হৃদয়ও দারুণ ব্যাটিং করেছেন। দুইজনই পেয়েছেন হাফসেঞ্চুরির দেখা। ৯৪ বলে ৭৮ রান করেছেন সাদমান। অপরদিকে হৃদয় খেলেছেন ১১৭ বলে ৮৩ রানের আরেকটি ঝলমলে ইনিংস। আরিফুল হকের বলে বোল্ড না হলে সেঞ্চুরিও তুলে নিতে পারতেন তিনি।